সিরাজগঞ্জে রাতের আধারে রফিকুল ইসলাম খাঁন নামে এক কৃষকের ১৫টি বিভিন্ন ফলজ ও বনজ গাছ কেটে ও ভেঙ্গে দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে রায়গঞ্জ উপজেলার ব্রম্মগাছা ইউনিয়নের ভাতহাড়িয়া গ্রামে।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত বাগান মালিক রফিকুল ইসলাম খাঁন সংশ্লিষ্ট থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেশ কিছুদিন যাবত পুকুর পাড়ের সীমানার মাপ জরিপ নিয়ে পাশ্ববর্তী বিল গোঁতগাতী গ্রামের মো. আকবর মল্লিকের ছেলে মো. ইয়ামিন মল্লিক (২২) ও মজনু মল্লিক (৩০), মৃত সোরহাব মল্লিকের ছেলে কামাল মল্লিক (৩৫), মৃত মনছের মল্লিকের ছেলে আকবর মল্লিক (৫২) ও ছরাউদ্দিন মল্লিক (৩৫), মৃত আজিজল মল্লিকের ছেলে সুজন মল্লিক (৩৫) ও শামীম মল্লিক (৩৮), মৃত আব্দুল করিমের ছেলে জেলহক (৩৫) ও মৃত ময়েজ উদ্দিন মল্লিকের ছেলে রজব আলী মল্লিক (৫০) এর সাথে বিরোধ চলে আসছিলো।
এরই এক পর্যায়ে শুক্রবার (৩০ জুলাই) রাত আনুমানিক সারে সাতটার দিকে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে হাতে লাঠি সোটা দা, কাচি ও দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পূর্ব পরিকল্পিত ভাবে বসত বাড়িতে প্রবেশ করে পরিবারের লোকজনকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এরপর ফিরে যাওয়ার সময় পুকুর পাড়ে লাগানো আম, কাঁঠালসহ বিভিন্ন ফলজ ও বিভিন্ন প্রজাতির কাঠের চারা গাছ ভেঙ্গে ও কেটে ফেলে আনুমানিক ২০ হাজার টাকার ক্ষতি করেছে।
রোববার (১ আগষ্ট) সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, পুকুর পাড়ে লাগানো ১৫ টি চারা গাছের আগা কেটে ও ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। মাত্র দু’একটি গাছ অক্ষত রয়েছে। বাকি সব গাছ কেটে ফেলা হয়েছে।
নাম প্রকাশ না শর্তে স্থানীয় কয়েকজন বলেন, শত্রুতা মানুষের সাথে হতে পারে, কিন্তু গাছের সাথে কেন? ওই ব্যক্তিরা (বিবাদীরা) বরাবরই ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে যাচ্ছে। এদের বিচার করবে কে?
এদিকে, অভিযুক্ত ইয়ামিন মল্লিক গং অভিযোগের বিষয়টি অস্বীকার করে মুঠোফোনে বলেন, পূর্বের ধর্ষণ মামলার জের ধরে রফিকুল ইসলাম খাঁন নিজেই গাছ কেটে আমাদের নামে থানায় অভিযোগ দিয়েছে। তার সাথে সীমানার মাপ নিয়ে আমাদের কোন বিরোধ নেই।
এ প্রসঙ্গে রায়গঞ্জ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মামুন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঘটনার সাথে কারা জড়িত তা তদন্ত করা হচ্ছে।
এম এ মালেক/বার্তাবাজার/পি