রাস্তার সংস্কার কাজ বন্ধ থাকায় পাংশাবাসীর দুর্ভোগ

দীর্ঘদিন পর ২৩ কোটি ১৬ লক্ষ ৫৬ হাজার টাকা চুক্তিমূল্যে গত বছরের স্টেপ্টেম্বর মাসে শুরু হয়েছে পাংশা হেড কোয়াটার-মৃগী ০০-১০৯০০ মিটার জিসি সড়ক ও যশাই ইউপির জয়গ্রাম-মাছপাড়া সড়ক ০০-৪২৭৯ মিটার পর্যন্ত সড়কের সংস্কারকাজ। বর্তমানে সংস্কার কাজ বন্ধ থাকায় সড়কটি ব্যবহারে অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এতে জনদুর্ভোগ বেড়েই চলেছে পাংশাবাসীর।

সংস্কারকাজটি করছেন নাটোর জেলার সদর উপজেলার উত্তর রড়গাছা গ্রামের মীর হাবিবুল আলম নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

মহামারি করোনা ভাইরাসের মধ্যে থেমে থেমে চলছিল সড়কটির সংস্কারকাজ। সম্প্রতি বন্ধ রয়েছে সংস্কারকাজ।

পাংশা হেড কোয়াটার-মৃগী জিসি সড়কের পাংশা সরদার বাসষ্ট্যান্ড থেকে রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত খানাখন্দে ভোরে গেছে সড়কটি। দুর্ভোগ বেড়েই চলছে দক্ষিণাঞ্চলীয় পাংশাবাসীর। ভারিবর্ষণে গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে মানুষের দুর্ভোগ আরও বেড়ে গেছে।

সরেজমিন দেখা যায়, প্রতি কদমে কদমে রয়েছে খানাখন্দ। বৃষ্টিতে গর্তে জমে রয়েছে পানি। এই সড়কে গাড়িতে উঠলেই ঝাঁকুনি আর ঝাঁকুনি। ছোট যানবহনে মাল ও যাত্রীবাহী গাড়ি চলাচলের উপক্রম হয়ে পরেছে। সব মিলে চরম ভোগান্তি আর মৃত্যুর ফাঁদে পরিণত হয়ে আছে সড়কটি।

জানা গেছে, উপজেলার পৌর শহরের বিষ্ণুপুর, মৈশালা গ্রাম সহ উপজেলার মৌরাট, পাট্টা, সরিষা, কসবামাজাইল, কলিমহর, বাবুপাড়া ইউনিয়নবাসী এবং কালুখালী উপজেলার বোয়ালিয়া, সাওরাইল ও মৃগী ইউনিয়নবাসীর পাংশা শহরে যোগাযোগের সড়ক এটি। এসকল ইউনিয়নবাসী তাদের নিত্য প্রয়োজন মেটাতে ব্যবহার করেন সড়কটি। শুধু তাই নয় বেহাল সড়ক দিয়েই প্রতিদিন শত শত মানুষ পাংশা হাসপাতালে যান সেবা নিতে। ফলে এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন হাজার হাজার যানবাহন ও মানুষের চলাচল।

সড়কটি দিয়ে চলাচলকারী ইজিবাইক চালক রুবেলুর রহমান বলেন, ‘আমি প্রতিদিন পাংশা রাজার থেকে মৃগী বাজার পর্যন্ত ইজিবাইক চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। রাস্তায় অগনিত গর্ত। কোথাও আবার পুকুরের মতো। বৃষ্টি হলেই জমে পানি। রাস্তার পিচ ঢালাই অনেক আগেই উঠে গেছে। ৫ মিনিটের পথ যেতে ২০ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। যাত্রীদের কাছে গালাগালীও সুনতে হয় আমাদের।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের ইঞ্জিনিয়ার সোহাগ তালুকদার বলেন, করোনা মহামারির কারনে উপজেলা থেকে সংস্কার কাজটি বন্ধ রাখা হয়েছে। অনুমোতি দিলেই আমরা সংস্কার কাজটি শুরু করব।
সড়কটি সংস্কারের বিষয়ে বৃদ্ধি স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর পাংশা উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ে গেলে অফিস বন্ধ পাওয়া যায়। উপজেলা প্রকৌশলী কর্মকর্তা বাদল চন্দ্র কির্তনীয়া’র মুঠোফোনে একাধীকবার কল করলেও নিতি কল রিসিভ করেননী।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মাদ আলী বলেন, করোনা মহামারি ও লকডাউনের কারনে সংস্কার কাজটি বন্ধ রাখা হয়েছে।

মেহেদী হাসান রাজু/বার্তা বাজার/এসবি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর