‘পুলিশকে’ করোনা বলে আখ্যায়িত করছে দোকানিরা!

লকডাউনে জেলা ও উপজেলা শহর গুলোতে প্রশাসনের কঠোর অবস্থান দেখা গেলেও গ্রাম অঞ্চলে সেরকম দেখা যায়না। লক্ষ্মীপুরের বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডগুলোতে সন্ধ্যার পরে গ্রাম পুলিশদের টহল দিতে দেখা যায়। সারাদিন যে যার মত। দোকান খুলে ব্যবসা করছে ব্যবসায়ীরা।

সন্ধ্যা হলেই একে অপরকে সতর্ক করছে “করোনা আয়োনের সময় অইছে দোকান বন্ধ কর” অর্থাৎ সাধারণ মানুষ গ্রাম পুলিশকে করোনা আখ্যায়িত করছে।

লক্ষ্মীপুর সদর ও রায়পুরের বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, লকডাউনের মধ্যেও দোকানপাট খোলা রেখেছে বেশির ভাগ ব্যবসায়ীরা। মানছে না সরকারি বিধিনিষেধ ও স্বাস্থ্যবিধি। বিভিন্ন অলি-গলি, চায়ের দোকানে চলছে আড্ডা ও লোকসমাগম। কারো মুখেই দেখা যায়না মাস্ক। মসজিদে নামাজ আদায়ের সময়ও মাস্ক পড়ছেননা মুসল্লীরা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে লক্ষ্মীপুর সদরের দালাল বাজার ইউনিয়নের সাদ্দারপুলের এক ব্যবসায়ী জানান, আমরা ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী। ধারদেনা করে ব্যবসা করি লকডাউনের কারণে আমাদের চলতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। দোকান মালিক ও দেনাদারদের বুঝানো যায়না। সেজন্য বাধ্য হয়ে দোকান খোলা লাগে।

চররুহিতা ইউপি চেয়ারম্যান হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী বার্তা বাজারকে বলেন, জনসচেতনতার জন্য সর্বদা কাজ করে যাচ্ছি,প্রতিটি ওয়ার্ডে গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে মানুষকে সতর্ক করা হচ্ছে।

দক্ষিন চরবংশি ইউপি চেয়ারম্যান আবু সালেহ মিন্টু ফরায়েজি বলেন, মহামারিতে সতর্ক থাকার জন্য বললেও কেও শুনে তো কেও শুনে না। নীজেরা সতর্ক না হলে বিপদ অনিবার্য।

রায়পুরের ইউএনও সাবরীন চৌধুরি বার্তা বাজারকে বলেন, প্রতিদিন জনগনকে সতর্ক করা হচ্ছে। অভিযান চালানো হচ্ছে। অর্থদণ্ড করা হচ্ছে। তারপরেও কেনো তারা অযথা বাইরে ঘুরে, দোকানে বনে আড্ডা দিচ্ছে তা বোধগম্য হচ্ছে না। তারপরেও আমরা বলবো জনপ্রতিনিধিরা জড়ালো ভুমিকা রাখলে করোনা মোকাবেলা সম্ভব।

বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর