টানা ভারী বর্ষনে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফে পাহাড় ধসে ৬ জন রোহিঙ্গা ও ১জন স্থানীয় বাসিন্দাসহ ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছে আরো দুই জন। মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সকালে পৃথক ঘটনায় তাদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।
উখিয়া পাহাড় ধসের ঘটনায় নিহতরা হলেন, বালুখালী ক্যাম্প-১০ এর শাহ আলমের স্ত্রী দিল বাহার (৪২), তার শিশু সন্তান শফিউল আলম (৯)। এসময় শাহ আলমের মেয়ে নুর ফাতেমা (১৪) ও ছেলে জানে আলম (৮) গুরুতর আহত হয়।
জি-৩৮ ব্লকের মোহাম্মদ ইউসূফের স্ত্রী দিল বাহার (২৫), তার আড়াই মাসের শিশু সন্তান আব্দুর রহমান (২৫) ও তার কন্যা আয়েশা সিদ্দীকা (১)। অপর জনের নাম জানা যায়নি।
আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নে (১৬-এপিবিএন) অধিনায়ক এসপি মো. তারিকুল ইসলাম তারিক সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত বলেন, কয়েকদিন ধরে টানা বর্ষণের কারণে পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত ক্যাম্পগুলোতে পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেছে।
নিহতদের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া আহতরা চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা গুলো থেকে রোহিঙ্গাদের নিরাপদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এঘটনায় উপজেলার পানবাজার পুলিশ ক্যাম্পে একটি জিডি করা হয়েছে (জিডি নং-৭৯৯)।
অপরদিকে, টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পারভেজ চৌধুরী জানান, সকাল ৯ টায় টেকনাফের হোয়াইক্যং ইউনিয়নের মনির ঘোনা গ্রামে পাহাড় ধসে মৃত আলী আহমদের পুত্র রকিম আলী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে আহত অবস্থায় বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্প সংলগ্ন তুর্কী হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষনা করেন। খবর পেয়ে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনিক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
তিনি আরো জানান, গত কয়েকদিনের টানা বর্ষনে পাহাড় ধস বৃদ্ধি পেয়েছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাহাড়ের পাদদেশে বসবাসরতদের নিরাপদে সরে যেতে মাইকিং করে সতর্ক করা হচ্ছে।
খাঁন মাহমুদ আইউব/বার্তা বাজার/টি