শেখ আমিনুর হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: নিখোঁজ হওয়ার আট দিন পর পাটক্ষেত থেকে পুলিশ পুষ্প রানী দাস নামে এক মহিলার নগ্ন গলিত লাশ উদ্ধার করেছে। তিনি সাতক্ষীরার তালা উপজেলার ইসলামকাট ইউনয়িনের মনোহরপুর গ্রামের মৃত মনোরঞ্জন দাসের স্ত্রী।
মৃতের ছেলে জয়দেব দাস জানান, গত ২০ জুন বিকালে তার মা পুষ্প রানী দাস (৪২) বাড়ী থেকে বেরিয়ে আর ফেরেননি। সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে ভাই মহাদেব দাস গত ২২ জুন তালা থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করে। সর্বশেষ শুক্রবার সকাল ১০ টার দিকে স্থানীয় বারাত বলির জনৈক কেসমত দপ্তরীর পাটক্ষতের পাশে ঘাষ কাটতে গ্রামের কয়েকজন দুর্গন্ধযুক্ত এক মহলিার লাশ দেখতে পেয়ে তালা থানায় খবর দেয়। পরে পুলশি ঘটনাস্থল থেকে পুষ্পরাণীর উলঙ্গ গলতি লাশ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে কেউ সেখানে ফেলে রেখেছ।
তবে স্থানীয় একটি সূত্র মতে দু্ই বছর আগে পুষ্প রানী দাসের স্বামী মনোরঞ্জন দাস মারা যান। সুশ্রী পুষ্প রানী এরপর থেকে অন্যর জমিতে কাজ করতেন। এ সময় স্থানীয় এক বিবাহিত মুসলিমের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠে। এটা ওই মুসলিম পরিবারের সদস্যরা মেনে নিতে পারতো না। এরই জের ধরে পুষ্প রানীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ পাটক্ষেতে ফেলে রেখে দেওয়া হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
তালা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মেহদী রাসেল জানান, খবর পেয়ে তিনিসহ তালা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার হুমায়ুন কবরি ঘটনাস্থল থেকে পুষ্প রাণীর উলঙ্গ অবস্থায় গলিত লাশ উদ্ধার করেছেন। ধারণা করা হচ্ছে, তাকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করে সেখানে লাশ ফেলে রাখা হয়েছে। পুষ্পরাণী দুই ছেলে ও এক কণ্যা সন্তানের জননী।
বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।