কুমিল্লার তিতাসে বিচার শালিশে দু’পক্ষের সংঘর্ষে বিচারকসহ ৯ জন আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে আজ শুক্রবার বিকেলে উপজেলার আলীরগাও গ্রামের মোস্তফা মিয়ার বাড়িতে।
আহতদেরকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। এর মধ্যে উন্নত চিকিৎসার জন্য ২জনকে ঢাকা প্রেরণ করেন। তারা হলেন সুমন (৪০) ও রুহুল আমিন (২৫)।
অন্য আহতরা হলেন, হাসান (২৬), কামরুল (৩৫), হাসান ড্রাইভার (৫৫), গিয়াসউদ্দিন (৪৫), শামীম (২২), হাবিব (১৫) ও সুরাজ (১৯। এসময় সংঘর্ষের খবর পেয়ে তিতাস থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার (২২ জুলাই) বিকেলে একটি নৌকা চালানোকে কেন্দ্র করে একই গ্রামের আলী মিয়া ও সুমনদের সাথে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনা মিমাংসার জন্য শুক্রবার (২৩ জুলাই) বিকেলে ওই গ্রামের মোস্তফার বাড়িতে সাবেক মেম্বার ছাদির মিয়ার সভাপতিত্বে এক সালিশ বৈঠক বসে।
উভয় পক্ষের বক্তব্য শুনে জুরিবোর্ড রায় এনে উপস্থাপন করলে বিচারকগণের উপস্থিতিতে উভয় পক্ষ সংঘর্ষ জড়িয়ে পরে। এসময় ১জন বিচারকসহ উভয় পক্ষের ৯জন আহত হয়।
এবিষয়ে আহত সুমন বলেন, বিচারকরা সুন্দর ভাবে দু’পক্ষকে মিমাংসা করার জন্য রায় ঘোষনা করে। এতে কামরুল বিচারকের রায় না মেনে আমাদের উপর হামলা করে। অপরদিকে আহত কামরুল বলেন, সুমন একজন উশৃংখল মানুষ। সে বিচারকদের সামনে আমাদের উপর অর্তকিত হামলা করে বেদম মারপিট করেন।
সালিশ বৈঠকের সভাপতি সাবেক মেম্বার ছাদির মিয়া বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে একটি নৌকার লগি ভাঙ্গাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ঘটনা ঘটে। উক্ত ঘটনা মিমাংসার লক্ষে মোস্তফার বাড়িতে সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয়ের বক্তব্য শুনে জুরিবোর্ড রায় উপস্থাপন করলে মুহূর্তের মধ্যেই উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জরিয়ে পরে। এঘটনায় আমাদের বিচারক গিয়াস উদ্দিনস উভয় পক্ষের ৯ জন আহত হয়েছে।
এবিষয়ে তিতাস থানার অফিসার ইনচার্জ সুধীন চন্দ্র দাস বলেন, সংঘর্ষের খবর শুনে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছি এবং পরিস্থিতি শান্ত আছে। এঘটনায় লিখত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
মোঃ আসলাম/বার্তা বাজার/এসজে