কেরানীগঞ্জে কঠোর অবস্থানে প্রশাসন, স্বাস্থ্যবিধি না মানায় জরিমানা
ঢাকার কেরাণীগঞ্জসহ সারা দেশে করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকার ঘোষিত ১৪ দিনের কঠোর বিধিনিষেধ শুরু হয়েছে। বিধিনিষেধের প্রথম দিনে মাঠে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। সড়ক-মহাসড়কের বিভিন্ন স্পটে কঠোর অবস্থানে রয়েছেন তারা। সড়কে যানবাহন না থাকলেও কারণে অকারণে বের হচ্ছে মানুষ।
শুক্রবার (২৩ জুলাই) সকাল থেকে কেরাণীগঞ্জ উপজেলার কদমতলী, হাসনাবাদ ও আব্দুল্লাপুরসহ বেশকিছু এলাকার বিভিন্ন সড়কে লকডাউন বাস্তবায়নে উপজেলা প্রশাসনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের তৎপর থাকতে দেখা গেছে। তবে স্বাস্থ্যবিধি মানতে ও লকডাউন কার্যকর করতে বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করছেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। এসময় অযথা ঘোরাফেরা কারীদের বিরুদ্ধে দেয়া হচ্ছে মামলা ও জরিমানা।
বাবুবাজার ও পোস্তগোলা সেতুর প্রবেশ মুখসহ বিভিন্ন পয়েন্টে কঠোর বিধিনিষেধ নিশ্চিত করতে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। সেখানে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি সেবার গাড়ি ছাড়া অন্য সব গাড়িকেই চেকপোস্টে আটকে দিচ্ছে। বিনাকারণে কেউ রাস্তায় বের হলে তাদের কাছে কারণ জানতে চাওয়া হচ্ছে।
উপজেলার প্রধান সড়কগুলোতে এমন করাকরি থাকলেও বেশিরভাগ পাড়া-মহল্লায় মানুষকে লকডাউন মানতে দেখা যায়নি। লোকজন অযথা রাস্তায় ঘোরাফেরা করেছেন। অনেকে আবার শাটার অর্ধেক করে দোকান খোলা রেখেছেন।
সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সানজিদা সানজিদা পারভিন জানান, আজ ভোর ৬টা থেকে শুরু হওয়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের নির্দেশনা বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হচ্ছে। ভোর থেকে এপর্যন্ত ১৫টি মামলা এবং অর্থদণ্ড করা হয়েছে। মোবাইল কোর্ট চলমান থাকবে। এসময় তিনি সবাই সরকারি নির্দেশনা মেনে নিজ ঘরে থেকে ঈদ উদযাপন করতে বলেন।
অন্যদিকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল হাসান কদমতলী-বাবুবাজার সেতুর প্রবেশ মুখ, আগানগর, জিনজিরা এলাকায় নির্দেশনা বাস্তবায়নে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে প্রায় ২০ টি মামলায় ৭ হাজার ১’শ টাকা অর্থদন্ড দেন।
রানা আহমেদ/বার্তা বাজার/এসজে