শিল্পকারখানা খোলা হবে পরিস্থিতি বিবেচনায়: জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
মহামারি করোনাভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশের গার্মেন্টস ও রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা খোলার বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. ফরহাদ হোসেন। শিল্প কারখানা মালিকদের সংগঠন এফবিসিসিআই ও বিজেএমই’র পক্ষ থেকে করা আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘গার্মেন্টস ও রপ্তানিমুখী কলকারখানা বিষয়ে আপাতত কোনো সিদ্ধান্ত নাই। অবস্থা পরিবর্তন হলে চিন্তাভাবনা করা যাবে। তবে সেটা এ মাসের ভেতরে না।’
ঈদের আগে রপ্তানিমুখী শিল্পকারখানা বন্ধ থাকলে দেশের অর্থনীতিতে বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে এমন যুক্তি দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে চিঠি দিয়েছিল বিজিএমএই। পরে একই যুক্তি দেখায় দেশের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রি (এফবিসিসিআই)।
এর আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলামের সাথে বৈঠক করেন দেশের তৈরি পোশাক শিল্পের নেতারা। তখন তারা জানান, টানা ১৪ দিন কারখানা বন্ধ থাকলে রপ্তানি আদেশ হারাতে হবে। শ্রমিকদের বেতন-ভাতা নিয়ে সংকট তৈরি হতে পারে।
তারা জানান, রপ্তানিমুখী গার্মেন্টসগুলোর উৎপাদন বন্ধ থাকলে ইউরোপ, আমেরিকার ক্রেতারা বাংলাদেশের অর্ডার বাতিল করে দিতে পারেন বলে আশঙ্কা করেন তারা। অনেক কারখানার মালিক দেউলিয়া হয়ে পড়বেন। কর্মসংস্থান এবং অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে।
বার্তা বাজার/এসজে