আতিকুর রহমান কাযিন, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ সামান্য ঝড় বৃষ্টি হলেই কটিয়াদী উপজেলা বিদ্যুৎহীন হয়ে পড়ে। অনেক সময় ঘন্টার পর ঘন্টা চলে গেলেও বিদ্যুৎ এর দেখা মেলে না এই উপজেলাবাসী। আর সামান্য ঝড় হলেই দফায় দফায় বিদ্যুৎ যেতে থাকে। উপজেলার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহকরা জানালেন, কটিয়াদী পল্লী বিদ্যুৎ এর জোনাল অফিসের কিছু অদক্ষ ও দায়িত্বহীন কর্মকর্তা কর্মচারীর কারণে সমিতির গ্রাহকদের ভূগান্তি দিন দিন বাড়ছে। সারা উপজেলা বিনা কারনে বিদ্যুৎহীন থাকছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টা থেকে শুক্রবার সকাল ১০টা পর্যস্ত প্রায় ১২ঘন্টা বিদ্যুৎহীন থাকে কটিয়াদী পৌর শহরসহ সারা উপজেলা। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টায় হঠাৎ বৃষ্টি হওয়ার পর কিছুক্ষণ বিদ্যুৎ থাকলেও পরক্ষনই বিদ্যুৎ চলে যায়। এরপর থেকে প্রায় ১২ঘন্টা বিদ্যুতের মুখ দেখেনি কটিয়াদী উপজেলাবাসী।
১২ঘন্টা বিদ্যুৎ না থাকায় মোবাইল টাউয়ার গুলো বন্ধ হয়ে যায়। ঘন্টার পর ঘন্টা নেটওয়ার্কের বাহিরে চলে যায়। বিদ্যুৎহীন থাকায় উপজেলার গ্রাহকরা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন।
পল্লী বিদ্যুৎ এর একজন গ্রাহক জানান, ঝড় আসলেই বিদ্যুৎ লাইনে মেরামতের কাজ শুরু করে বিদ্যুৎ কর্মীরা অন্য সময় জেন মেরামতের কাজের কথা তারা ভূলে যায়। সময় মত ঝুকিপূর্ন খুটি গুলো মেরামত করা হলে সামান্য ঝড় বৃষ্টিতে দিনের পর দিন উপজেলা বিদ্যুৎহীন থাকতনা। গ্রাহকদের কষ্ট করতে হতনা।
এদিকে, কটিয়াদী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের মোবাইল -০১৭৬৯৪০০১৭৭ নাম্বারে ফোন করলে প্রায় সময়ই শুনা যায় এই মুহুর্তে সংযোগ দেয়া সম্ভবনা। ভাগ্যক্রমে সংযোগ ফেলে বিদ্যুৎ র্কমচারী মসকারী করে বলেন, খবর ভালনা, ৩৩ হাজার কেভি নষ্ট, শাহজিরবাজার বিদ্যুৎ কেন্দ্র অচল নতুবা খুটি পড়ে গেছে। আসলে কি কারনে বিদ্যুৎ চলে গেছে অথবা কখন বিদ্যুৎ আসবে সেটা গ্রাহকদের সটিক জবাব দেয়া হয়না। এমন অধিকার নেই যেন সমিতির গ্রাহকদের। অথচ গ্রাহকের টাকায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জন্ম।
কটিয়াদী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিপুটি জেনারেল ম্যানেজার আব্দুল লতিফের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।