পদ্মা নদীর তীরে দৃষ্টি নন্দন বাঁধ নির্মাণ করা হবে-পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

রাজশাহীর চারঘাট ও বাঘার পদ্মানদী রক্ষা বাঁধ পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম। রবিবার (১৮ জুলাই) দুপুরে মেশিনচালিত নৌকা যোগে উপজেলার পিরোজপুর, চন্দনশহর, রাওথা ও বাঘা উপজেলার মিরগঞ্জ, আলাইপুর নদী তীরবর্তী ভাঙ্গন এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন তিনি।

রাজশাহীর বাঘা-চারঘাট এলাকায় পদ্মা নদীর ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন কালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাংবাদিকদের বলেন, খুব দ্রুত রাজশাহীর চারঘাট-বাঘা অংশে পদ্মা নদীর বাধ নির্মাণ কাজ শুরু হবে। তিনি বলেন, নান্দনিক রূপে বাধ নির্মাণের পর পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠছে পদ্মা নদী। ভাঙ্গনমুক্ত থাকবে দুই উপজেলার মানুষ।

তিনি আরো বলেন, আমাদের দেশে প্রতি বছর কমবেশী বন্যা হয়। এই বন্যার সময় নদী তীরবর্তী এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয়। এতে আতঙ্কে দিন-রাত কাটান নদীতীরবর্তি এলাকার মানুষ। তাদের কথা ভেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে চারঘাট উপজেলার ইউসুফপুর থেকে বাঘার গোকুলপুর পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার ঝুঁকিপুর্ণ এলাকায় বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়নের দাবি করেছিলাম।

সে লক্ষ্যে গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে বর্তমান সরকারের পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুকসহ কয়েকজন বিভাগীয় প্রকৌশলী সরেজমিন নদী এলাকা পরিদর্শন করে সাড়ে সাতশ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্পটি অনুমোদন দেন। যা খুব দ্রুত বাস্তবায়ন হবে। তবে চারঘাট সীমানার মধ্যে ১৫ শতাংশ কাজ বৃদ্ধি করা হবে বলে উল্লেখ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, পরিকল্পনা রয়েছে এই বাঁধ এলাকায় চারটি টি-বাঁধ নির্মাণসহ একাধিক বসার স্থান নির্মানের মাধ্যমে নান্দনিক (স্পট) কেন্দ্র তৈরীর। যাতে করে ভ্রমণপ্রিয় মানুষ নদী এলাকায় ঘুরতে এসে আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।

এরআগে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ বিজিপি ক্যাম্পের পাশে মীরগঞ্জ বাজার পরিদর্শন করেন এবং এটি উন্নয়ন করা হবে বলে ব্যবসায়ীদের আশ্বস্ত করেন।

এ সময় পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম (শফিক), চারঘাট উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ফকরুল ইসলাম, বাঘা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পাপিয়া সুলতানা, চারঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দা সামিরা, বাঘা উপজেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও আওয়ামী লীগের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোঃনবী আলম/বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর