নীলফামারীতে অবাধে বিক্রি হচ্ছে নিষিদ্ধ কারেন্টজাল

নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার বিভিন্ন হাটে-বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল অবাধে বিক্রি হচ্ছে। জানা গেছে, ডিমলা উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী, বুড়ী তিস্তা নদী, কুমলাই নদী, নাউতারা নদী ও তেল্লাই বিলসহ বিভিন্ন খাল-বিলে এখনো যথেষ্ট পরিমাণ দেশি মাছ পাওয়া যায়।

বর্ষায় এসব নদী-নালা, খাল-বিলে মাছ ডিম ছাড়ায় প্রচুর রেণু-পোনা জন্ম দিয়ে থাকে। বন্যার পানি কমতে শুরু করায় নদী ছাড়াও খাল-বিলে প্রচুর মাছ পাওয় যাচ্ছে। এ কারণে হাট-বাজারে প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও উপজেলার বিভিন্ন হাট বাজারে নিষিদ্ধ কারেন্টজালের জমজমাট বাজার বসেছে। আর প্রতিদিন বিক্রি হচ্ছে হাজার হাজার টাকার এ কারেন্ট জাল।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, উপজেলার ঝুনাগাছ চাপানীতে সপ্তাহে রোববার ও বৃহস্পতিবার হাটের দিন খোলাবাজারে প্রকাশ্যে প্রায় ১০/১৫ জন ব্যবসায়ী ভ্রাম্যমান দোকান বসিয়ে, আবার কেউ দাঁড়িয়ে হাজার হাজার টাকার কারেন্ট জাল বিক্রি করে থাকেন। এছাড়া প্রতিদিন পাইকারি দরে লাখ লাখ টাকার কারেন্ট জাল এ হাটে বিক্রি হয়ে থাকে।

এসব কারেন্ট জাল এই এলাকার দেশীয় মাছের ব্যাপক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। উপজেলার গয়াবাড়ী ইউনিয়নের শুটিবাড়ি বাজারের সচেতন মহলের ব্যক্তিরা বলেন, বন্যার পানি কমার সঙ্গে সঙ্গেই গ্রামের মানুষ কারেন্ট জাল কিনে এনে খাল-বিল, নদী নালায় ব্যাপক হারে মাছ ধরছে।

এভাবে মাছ ধরলে মাছের বংশ নির্বংশ হয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, উপজেলার বাবুরহাট, খগারহাট, টুনিরহাট, ডাঙ্গারহাটসহ বিভিন্ন হাটে-বাজারে প্রতিদিন হাজার হাজার টাকার নিষিদ্ধ কারেন্টজাল অবাধে বিক্রি হচ্ছে। ফলে নদ-নদী ও খাল-বিলের ডিমওয়ালা মাছগুলো নির্বিকারে নিধন চলছে।

তারিকুল ইসলাম সোহাগ/বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর