৬ মাসের মধ্যে মাটিতে মিলিয়ে গেছে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর

বরগুনায় উদ্বোধনের ৬ মাসের মধ্যেই বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের ঘর। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের পাশাপাশি দেয়া হয়েছে প্রয়োজনের চেয়ে কম উপকরণ। আর এই অনিয়মের সঙ্গে জড়িত আমতলীর ইউএনও আসাদুজ্জামানকে বদলি করেছে কর্তৃপক্ষ।

মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের আশ্রয়ণ প্রকল্প-২ এর অধীনে বরগুনা জেলায় এক হাজার ৭শ’ ৩০টি ঘর বরাদ্দ দেয়া হয়। এর মধ্যে আমতলী ও তালতলীতে নির্মাণ করা হয় সাড়ে ৪০০’ ঘর। কাজের শুরু থেকেই সুবিধাভোগীদের পক্ষ থেকে নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ও কম উপকরণ ব্যবহারের অভিযোগ উঠলেও নেয়া হয়নি ব্যবস্থা।

ফলে কাজ শেষ হওয়ার ১২ দিনের মাথায় ধসে পড়ে তালতলীর বেহালা এলাকায় উর্মিলা রাণী নামের এক সুবিধাভোগীর ঘর। বর্তমানে অধিকাংশ ঘরের দেয়াল ও মেঝে থেকে পলেস্তারা খসে পড়ছে, ফুটো হয়ে গেছে টিনের চালা। নড়বড়ে হয়ে পড়েছে দরজা-জানালা।

আমতলীতে নির্মাণ প্রকল্পের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান। তালতলীতেও প্রকল্পের অতিরিক্ত দায়িত্বে ছিলেন তিনি। অভিযোগ ওঠার পর ইউএনওকে বদলি করে কর্তৃপক্ষ।

বরগুনা জেলা প্রশাসক হাবিবুর রহমান বলেন,’আমরা ঘরগুলো রিপেয়ার করে দিবো। সেগুলো ভেঙ্গে পড়নে। বৃষ্টির কারণে একটু থাকতে কষ্ট হচ্ছে।’

তবে মুজিব বর্ষে প্রধানমন্ত্রীর দেয়া উপহারের টাকা আত্মসাত করে অতিদরিদ্র মানুষকে ঠকানোর সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়ার দাবি স্থানীয়দের।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর