যেই সাঁকো থেকে পড়ে গিয়ে মৃত্যু, সেই সাঁকো দিয়েই বাড়িতে গেল লাশ
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে বারাশিয়া নদীতে পড়ে শ্রাবনী আক্তার (৯) নামে এক নিখোঁজ শিশুর লাশ উদ্ধার হয়েছে।
শুক্রবার (১৬ জুলাই) সকাল ৯টার দিকে বাঁশের সাঁকোর তিনশ মিটার দূরে বটতলার সামনে থেকে মাছধরা জালের বাঁধ থেকে লাশটিকে ২২ ঘন্টা পর উদ্ধার করে এলাকাবাসী। সে চতুল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণীর শিক্ষার্থী ও চতুল গ্রামের বাবলু গাজীর ছোট মেয়ে। বাবলু গাজী ঢাকার একটি গার্মেন্টসে চাকরি করেন।
বোয়ালমারী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. রুহুল আমিন মৃধা বলেন, শিশুটির বাড়ি আমার বাড়ির সামনে। সে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে বাঁশের সাঁকো দিয়ে উপজেলা গুনবহা ইউনিয়নের চরপাড়া খালা বাড়ি যাওয়ার সময় নদীতে পড়ে যায়। শুক্রবার জুমআবাদ পৌরসদরের ছোলনা মাদ্রাসা মাঠে জানাযা শেষে শিশুটির লাশ ছোলনা গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে।
তিনি আরো জানান, শিশুটি যে সাঁকো থেকে নদীতে পড়ে যায়, শিশুটির লাশ উদ্ধার করে সেই সাঁকো দিয়ে পার হয়ে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বোয়ালমারী পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের চিতাঘাটা নামক এলাকায় শিশুটি নদীর ওপাড় গুনবহার খালা বাড়ি যাওয়ার সময় বাঁশের সাঁকো থেকে পড়ে যায়।
এ ঘটনায় সকাল থেকে বোয়ালমারী ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মীরা প্রাথমিক চেষ্টায় উদ্ধার করতে না পারলে মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ঘাট ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের ডুবুরি দলকে খবর দেয়। প্রায় ৫ ঘন্টা পাটুরিয়া ঘাটের ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ৪ সদস্য বিশিষ্ট ডুবুরি দল চেষ্টা করেও শিশুটিকে উদ্ধার করতে ব্যর্থ হয়ে উদ্ধার কাজ সমাপ্ত করে।
মিয়া রাকিবুল/বার্তা বাজার/এসবি