রাজধানীতে অপরিবর্তিত থাকছে সবজি ও মাছের দাম

নতুন করে দাম না বাড়লেও, রাজধানীর কাঁচাবাজারগুলোতে সবজি দাম থাকছে অনেক চড়া, দাম কমেনি মাছেরও।
দামের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দামে বিক্রী হচ্ছে গাজরের, যা ক্রেতাদের কিনতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা পর্যন্ত।

গাজর ছাড়াও ১০০ কিংবা তাঁর বেশী দামের তালিকায় রয়েছে পাকা টমেটো। আগের সপ্তাহের মতো পাকা টমেটোর কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। এর সঙ্গে বেগুন, ঝিঙে, করলা, বরবটি, চিচিঙ্গার দাম প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। বেগুন, ঝিঙে এবং করলার কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গার কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, বরবটির কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া আগের মতো ঢ্যাঁড়স এবং পটল ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকা। পেঁপের কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা।

সবজির দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী সবুর সরদার বলেন, আমাদের হিসেবে সবজির দাম যে হারে বাড়ার কথা, সে হারে বাড়নি। কারণ এবার বৃষ্টিতে প্রচুর সবজি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার করোনার কারণে সবজির সরবরাহ কম। সে হিসেবে সবজির দাম অনেক বেড়ে যাওয়ায় কথা, তবে বাড়েনি। ঈদের পর সবজির দাম বাড়বে বলে আমাদের ধারণা।

এদিকে তিন সপ্তাহ আগে বেড়ে যাওয়া আদার দামের হয়নি কোন রকমফের। আদা বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজিতে ১৬০ থেকে ২০০ টাকা। দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৬০ টাকা। দামের দিক থেকে পিছিয়ে নেই পেঁয়াজও, গত সপ্তাহের মত এবারও বিক্রী হচ্ছে কেজি প্রতি ৫০ টাকা করে।

সপ্তাহের ব্যবধানে মাছের দামও প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। তেলাপিয়া মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা, রুই মাছ ২৩০ থেকে ২৮০ টাকা, মৃগেল ২০০ থেকে ২৫০ টাকা, চিংড়ি ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা, পাবদা ৪০০-৫০০ টাকা এবং রূপচাঁদা মাছের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকা।

এদিকে আগের মতই ব্রয়লার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৩০ থেকে ১৪০ টাকায়। লেয়ার মুরগি ২৩০-২৪০ টাকা আর সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৩০ টাকা।

দামে পরিবর্তন আসেনি গরু ও খাসির মাংসেরও। গরুর মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা। আর খাসির মাংসের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা।

এর সঙ্গে দাম অপরিবর্তিত রয়েছে আলু এবং ডিমের। আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা। আর ফার্মের মুরগির ডিম ডজন বিক্রি হচ্ছে ১০৫ থেকে ১১০ টাকায়।

রামপুরা বাজারের ক্রেতা রিয়াজুল বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম চড়া। আমাদের কিছু করার নেই। সবকিছু মুখ বন্ধ করে সহ্য করে নিতে হবে। এই করোনার মধ্যে সাধারণ মানুষ কী পরিমাণ কষ্টে আছে, বলে বোঝানো যাবে না।

বার্তা বাজার/এসবি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর