আলফাডাঙ্গায় শিক্ষিকার বিরুদ্ধে অবৈধ নিয়োগ ও দুর্নীতির অভিযোগ
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় এক শিক্ষিকার বিরুদ্ধে ৬ষ্ঠ শ্রেণির ‘খ’ শাখার অনুমোদনবিহীন নিয়োগ ও এমপিওভুক্তকরণে দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এ অভিযোগ উঠেছে উপজেলার টগরবন্দ ইউনিয়নের পানাইল ইউনাইটেড একাডেমির শিক্ষিকা রহিমা খাতুনের বিরুদ্ধে।
সম্প্রতি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে এ সংক্রান্ত একটি লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে। এলাকাবাসীর পক্ষে ওই বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সাবেক সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আলমগীর রহমান এই অভিযোগ দেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, রহিমা খাতুন একজন অবৈধ নিয়োগপ্রাপ্ত শিক্ষিকা। তিনি বিগত ২০০১ ইং সালের ২০ নভেম্বর নিকট আত্মীয় কমিটির মাধ্যমে ও নিয়োগ সংক্রান্ত অফিস ম্যানেজ করে ৬ষ্ঠ শ্রেণির অনুমোদনবিহীন ‘খ’ শাখার শিক্ষিকা হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন। উক্ত শাখা খোলার কোন বৈধ কাগজপত্র তার নাই।
অভিযোগে আরও বলা হয়, তৎকালীন বিদ্যালয়ের সভাপতি ও অন্যান্য নিয়োগ কমিটির সদস্যদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে নিজের বেতন বিল করে নেয়। এভাবে তিনি সরকারি লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করে চলছেন। এছাড়া তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানের সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে নিয়োগের আশায় ম্যানেজিং কমিটিকে ম্যানেজ করে উক্ত পদে অবৈধভাবে বহালের পাঁয়তারা করছে।
এসব অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে রহিমা খাতুন অবৈধ নিয়োগ ও দুর্নীতির কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘আসলে আমার নিয়োগ হয়েছে শূন্য পদে। আমার কাছে পেপার কাটিংও আছে। আমার সাথে কারো কোন শত্রুতা নেই। তবে আমার স্বামী চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন। তাই তার সাথে অন্য কোন উপায়ে না পেরে প্রতিপক্ষ এই অভিযোগ দিয়েছে।’
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নিমাই চন্দ্র রায় বলেন, ‘এসব বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক অফিস থেকে তদন্তে এসেছিলেন। তাদের যেসব তথ্য দেয়ার তা আমরা দিয়েছি।’
এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহম্মদ আব্দুল আওয়াল আকন বার্তা বাজারকে বলেন, ‘অভিযোগ পেয়ে তদন্তের জন্য একাডেমিক সুপারভাইজারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে আমাদের যা করণীয় আমরা তাই করবো।’
মিয়া রাকিবুল/বার্তাবাজার/পি