আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার থেকে যাত্রাবাহী ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির কারণে অনলাইনে বিক্রি হচ্ছে ট্রেনের টিকিট। কিন্তু অনলাইনে ট্রেনের টিকিট পাওয়া যেন সোনার হরিণ পাওয়া।
অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার ভোগান্তি নিয়ে রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেন, ট্রেনের টিকিট কাটতে যে ভোগান্তি হচ্ছে, সেটা অস্বাভাবিক কিছু না।
তিনি বলেন, যদি ৪০ থেকে ৫০ লাখ লোক টিকিট কাটার চেষ্টা করে, ট্রেনের সিট ক্যাপাসিটি থাকে ৭০০ সেখানে টিকিট বিক্রি হয় ৩৫০টা; মানুষের যে চাপ সেটাতো সামাল দিতে পারা যাবে না।
বৃহস্পতিবার (১৫ জুলাই) রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ কথা বলেন তিনি।
আন্তনগর ট্রেনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হলেও লোকাল ট্রেনগুলোতে স্বাস্থ্যবিধি মানা হচ্ছে না জানিয়ে রেলমন্ত্রী বলেন, লোকাল ট্রেনের স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত নিয়ে আমাদেরও শঙ্কা রয়েছে। কেননা লোকাল ট্রেন প্রতিটি স্টেশনে থামে এবং সেখান থেকে অনেক যাত্রী ওঠে। এটা বন্ধ করা গেলে স্বাস্থ্যবিধি মানানো সম্ভব। সেখান স্বাস্থ্যবিধি মানানো একটু কঠিন।
তিনি আরও বলেন, আমরা স্বাস্থ্যবিধি মেনে ট্রেন পরিচালনার চেষ্টা করছি। রেলের পরিবারের প্রত্যেক সদস্য এ ব্যাপারে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু স্টেশনে গাড়ি থামার সঙ্গে সঙ্গে হুড়োহুড়ি করে মানুষ ট্রেনে উঠে যায়। যা বন্ধ করার মেকানিজম আমাদের নেই।
বার্তা বাজার/নব