শেরপুরে সরকারি আদেশ অমান্য করায় ১৪ দিনে মামলা ৬৪
বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে চলছে করোনা ভাইরাসের মহামারী। ২০২০ সাল পেরিয়ে ২০২১ সাল যায় যায় ভাব। তবুও নিয়ন্ত্রণে আসছে না মরণঘাতি এ ভাইরাস। এই ভাইরাস রোধে নানামূখী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন বাংলাদেশ সরকার।
এরই প্রেক্ষিতে জুলাই মাসের ১ তারিখ থেকে কঠোর লকডাউন ঘোষণা করেন সরকার। তাই সকল মানুষকে অযথা বাইরে না থাকা, মাস্ক ব্যবহার করার জন্য কঠোর পরিশ্রম করে গেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. সাবরিনা শারমিন। জরিমানা নয়, সাধারণ মানুষকে নিরাপদ রাখতে দিন রাত বাহিরে কাজ করেছেন তিনি। কে শোনে কার কথা। অনেকটা বাধ্য হয়েই কিছু অতি উৎসাহী ব্যাক্তিদের আইনের আওতায় এনে জরিমানা করা হয়েছে।
জানা যায়, করোনা ভাইরাস রোধে সাধারণ মানুষদের অহেতুক বাহিরে ঘোরাফেরা করা, মাস্ক ব্যবহার না করা ও সরকারি আদেশ অমান্য করার অপরাধে গত ১৪ দিনে ৯ টি ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করার মাধ্যমে ৬৪ টি মামলায় ৪৮ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করেছেন মোছা. সাবরিনা শারমিন দ্বারা পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত। জরিমানার পাশাপাশি সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস থেকে রক্ষা পেতে মাস্ক ব্যবহার করার জন্য অনুরোধ জানান এবং যাদের মুখে মাস্ক নেই তাদের বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করেন।
এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোছা. সাবরিনা শারমিন বলেন, কাউকে শাস্তি দেয়া কিংবা জরিমানা করার ইচ্ছা আমাদের নেই। করোনা মহামারির কবল থেকে মানুষকে রক্ষা করাই মূল লক্ষ্য। মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করার উদ্দেশ্য হলো সাধারণ মানুষকে সচেতন করা যে, তাদেরকে স্বাস্থ্যবিধি মানতে হবে। এরপরও যদি কেউ আইন লংঘন করে তাহলে সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নে আমরা বদ্ধ পরিকর।
রাশেদুল হক/বার্তা বাজার/মেরাজ