যশোরের কেশবপুরে এক যুবকের প্রেমের ফাঁদে পড়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়লে ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে ওই ছাত্রীকে অবৈধ গর্ভপাত ঘটিয়ে নবজাতককে মাটিচাপা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে।
ঘটনার পর এলাকাবাসী নবজাতকের লাশ মাটি চাপা দেওয়া জায়গা পাহারা দিয়ে রেখেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার সারুটিয়া গ্রামে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত বিল্লাল হোসেন গা ঢাকা দিয়েছেন।
থানা পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার সারুটিয়া গ্রামের নানার বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করতো ওই ছাত্রী। ওই ছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের ফাঁদে ফেলে ধর্ষণ করে আসছে প্রতিবেশী ৩ সন্তানের জনক বিল্লাল হোসেন। এ ঘটনায় ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ে। গত ২৪ জুন রাতে বেল্লাল হোসেন এলাকার এক হাতুড়ে ডাক্তারের পরামর্শে ওই ছাত্রীর পেটের বাচ্চা নষ্ট করতে অবৈধ গর্ভাপাত ঘটান। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে বিল্লাল হোসেন ওই নবজাতককে বাগানের ভেতর মাটি চাপা দেওয়ার সময় গ্রামবাসী দেখে ফেললে ঘটনাটি ফাঁস হয়ে যায়।
অবৈধ গর্ভপাত ঘটানোর ফলে ওই ছাত্রীর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়। গতকাল বুধবার ওই ছাত্রীর মামা বাদী হয়ে বিল্লাল হোসেনকে অভিযুক্ত করে থানায় মামলা করেন।
এলাকার চেয়ারম্যান আব্দুস সামাদ বলেন, শত শত মানুষ ওই নবজাতকের লাশ মাটি চাপা দেওয়া স্থান পাহারা দিয়ে রেখেছে।
এ ব্যাপারে থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শাহজাহান আহমেদ বলেন, ওই ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। ছাত্রীর জবানবন্দী গ্রহণের জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে