আজ বৃহস্পতিবার রাত ৪:০৯, ১৯শে অক্টোবর, ২০১৭ ইং, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ, ২৭শে মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

‘আশরাফুলের কোচ হিসেবে কৃতিত্ব দিলে লজ্জিত হই’

নিউজ ডেস্ক | বার্তা বাজার .কম
আপডেট : আগস্ট ১২, ২০১৭ , ১০:৪১ অপরাহ্ণ
ক্যাটাগরি : খেলাধুলা
পোস্টটি শেয়ার করুন

২০০৫ সাল থেকেই বিসিবির গেম ডেভেলপমেন্টে কোচ হিসেবে নিয়োজিত আছেন ওয়াহিদুল গনি। বর্ষীয়ান এই ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব এদেশের ক্রিকেটের একজন গুরুত্বপূর্ণ অভিভাবক। শাহরিয়ার নাফিস বা মোহাম্মদ আশরাফুলের হাতেখড়িও তার অধীনেই।

শুধু তারাই নয়, ঘরোয়া ক্রিকেটের আরো অনেক অপরিচিত ক্রিকেটারকেও দীক্ষা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু এসব নিয়ে বিন্দুমাত্র অহংকার নেই তার। বরঞ্চ অবদান দিয়েছেন তার ছাত্রদেরই। সম্প্রতি কালের কণ্ঠ পত্রিকাকে জানিয়েছেন,“ওদের (আশরাফুল, নাফিস) প্রতিভাই আমাকে কোচ বানিয়ে দিয়েছে। আশরাফুল যখন ক্রিকেটার হয়নি, তখনো কিন্তু আমি কোচিং করাই। কিন্তু কেউ চিনত না। যেই আশরাফুল শ্রীলঙ্কায় সেঞ্চুরি করল, ওই মুহূর্ত থেকে সবাই আমাকেও চেনা শুরু করে। আমি ‘কোচ’ হয়ে গেলাম। সত্যি বলতে কী, খেলোয়াড়রাই কোচ তৈরি করে। যত ভালো খেলোয়াড়, কোচও তত ভালো।”
একইসাথে আশরাফুলের কোচ হিসেবে কৃতিত্বও নিতে চান না তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি জানিয়েছেন আশরাফুল কে ক্রিকেট বিশ্বে তুলে ধরার কৃতিত্ব তাকে দেওয়া হলে, লজ্জায় পরে যান তিনি। জানিয়েছেন,

“যে ক্রিকেটারের প্রতিভা আছে, সে বড় হবেই। আশরাফুল যদি আমার কাছে কোচিং না করত, তবু ও ক্রিকেটার হতো। কিন্তু ও আমার কাছে না এলে কোচ হিসেবে আমার এত নামডাক হতো না। এ কারণে আশরাফুলের কোচ হিসেবে অনেকে যখন আমাকে অনেক অনেক কৃতিত্ব দেন, তখন লজ্জা লাগে।
কেননা আশরাফুল ক্রিকেটার হয়েছে নিজের যোগ্যতায়। আমি কিছুটা সাহায্য করেছি মাত্র। আশরাফুল কিংবা শাহরিয়ার নাফীস যে মিডিয়ায় বারবার আমার কথা বলে, এটি ওদের মহত্ত্ব। শুনতে আমার ভালোই লাগে। আবার মানুষ এটি বেশি বেশি বলায় একটু বিব্রতও হই।”
উল্লেখ্য, বর্ষীয়ান এই কোচের ক্রিকেট ক্যারিয়ারও অনেক লম্বা। প্রায় ২০ বছর ধরে তিনি খেলেছেন ঢাকার ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া সংঘটন মোহামেডানে। লেগ স্পিনার হিসেবেই খেলতেন তিনি। আর সেখানেই তার ঘূর্ণিতে কুপোকাত হয়েছেন আশি বা নব্বই দশকের অনেক ভালো ক্রিকেটার।