ভালো আছে যশোরের শার্শা উপজেলা নিজামপুর ইউনিয়নের ছোট নিজামপুর গ্রামের সিএনজি চালক শাহ আলম। সিএনজি চালক শাহ আলম কঠোর লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়ায় গাড়ি চালাতে না পেরে ৪ সন্তান ও স্ত্রীকে নিয়ে পরিবারের খরচ চালাতে ব্যর্থ হয়ে পড়েন এমনকি মাত্রা ২২ দিন বয়স সন্তানের দুধ কিনতেও বিপাকে পড়েন চালক শাহ আলম।
নিজামপুর বাজারের কান্নারত অবস্থায় (টাকার জন্য) ঘুরে বেড়ান প্রিয়জনদের দ্বারেদ্বারে পাননি কোনো সহযোগিতা। এমন সময় চালক শাহ আলমের সাথে দেখা হয় স্থানীয় সাংবাদিক নয়ন সরদারের সাথে। শাহ আলমের এই মর্মান্তিক ঘটনাটি শোনার পর বার্তা বাজারের শার্শা উপজেলা প্রতিনিধি নয়ন সরদার শাহ আলমের থেকে কয়েক মিনিটের একটি ভিডিও নেয়।
এরপর শাহ আলমকে নিয়ে বার্তা বাজারে সংবাদ প্রকাশ হয়। শাহ আলমকে নিয়ে “লকডাউনে-সন্তানের দুধের টাকা জোগাড়ে হাত পাতছেন সিএনজি চালক বাবা” এই শিরোনামে ৭ই জুলাই একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। সংবাদটি প্রকাশিত হওয়ার কয়েক ঘন্টার মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগায়। বিভিন্ন মাধ্যমে শুরু হয় শাহ আলমের সহযোগিতা আশা। দেশ বিদেশ থেকে অনেকে বিকাশে টাকা পাঠিয়েছেন। কেউ আবার তার সহযোগিতার জন্য বাড়িতে খাদ্য সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন।
সংবাদ প্রকাশের পরে চালক শাহ আলমের সাথে কথা বললে জানান, আমি ধন্যবাদ জানাই বর্তমান জনপ্রিয় অনলাইন পোর্টাল বার্তা বাজারকে এবং তাদের সকল সাংবাদিককে যারা আমার কষ্টের কথা তুলে ধরার পর আমি অনেক সহযোগীতা পেয়েছি। আমি বর্তমান অনেক ভালো আছি। আমি অনলাইন পোর্টাল বার্তা বাজারের প্রতি এবং যারা আমাকে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ও প্রবাসে থেকে (বিকাশ, নগদের মাধ্যমে) প্রায় ১২-১৪ হাজার টাকা পাঠিয়ে সহযোগীতা করেছেন তাদের সকলের প্রতি কৃতঞ্জতা প্রকাশ করি। সকলে আমার এবং আমার পরিবারের জন্য সকলে দোয়া করবেন।
এসময় তিনি আরো জানান, সংবাদ প্রকাশের পর আমাকে সহযোগীতায় বিভিন্ন ধরণের খাদ্য সামগ্রী ও নগদ অর্থ নিয়ে এগিয়ে আসেন শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, নিজামপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ, ইউপি সদস্য নজরুল ইসলাম ও নাম জানা অজানা বিভিন্ন সামাজিক সংগঠণ। এবং বর্তমান চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ ও মেম্বার নজরুল ইসলাম আমার সার্বিক খোঁজ খবর নিচ্ছেন।
বার্তাবাজার/পি