চাপ বেড়েছে হাসপাতাল, অক্সিজেনের দোকান ও কবরস্থানে

দেশে মহামারি করোনায় বেড়েই চলেছে আক্রান্ত ও মৃত্যু। এদিকে সচেতনতার অভাব ও দেরি করে চিকিৎসা নেয়ায় কুষ্টিয়ায় দ্রুত বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। সংক্রমণের সংখ্যার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে আক্রান্ত মানুষের মৃত্যু।

স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগ ও জনপ্রতিনিধিরা বলছেন, লকডাউন ঠিকমতো কার্যকর না হওয়া, মানুষ সময়মতো টেস্ট না করায় এ জেলায় নিয়ন্ত্রণে আসছে না করোনা পরিস্থিতি। এ অবস্থায় চাপ বেড়েছে হাসপাতাল, অক্সিজেনের দোকান ও কবরস্থানে।

করোনা ডেডিকেটেড কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতাল। করোনা ওয়ার্ডে শয্যা না থাকায় বারান্দায় সারি সারি রোগী। এসব রোগীর সঙ্গে স্বজনরাও থাকছেন গাদাগাদি করে। যারা হাসপাতালে সেবা নিতে আসছেন তাদের বেশির ভাগের শরীরের অক্সিজেনের মাত্রা স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক কম। তবে, হাসপাতালে অক্সিজেন পেলেও রয়েছে ওষুধের সংকট।

এদিকে, হাসপাতালের পাশাপাশি বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন অনেকে। এ কারণে অক্সিজেনের দোকানে বেড়েছে চাপ, বেড়েছে দামও। স্থানীয় অক্সিজেন বিক্রেতা জানান, সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় মেডিক্যাল অক্সিজেনের চাহিদা তুলনামূলক অনেক বেড়েছে।

কুষ্টিয়া পৌর গোরস্তানে আগে দিনে দাফন হতো এক থেকে দুটি মরদেহের, এখন দাফন হচ্ছে ৫ থেকে ৬ জনের।

মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাবের পাশাপাশি করোনা পরীক্ষায় গাফিলতির কারণে বাড়ছে শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এমনটা মনে করেন হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডা. আব্দুল মোমেন।

এদিকে, করোনা মোকাবিলায় রাজনীতিবিদ ও জনপ্রতিনিধিরা সম্মিলিতভাবে কাজ করছেন বলে জানান কুষ্টিয়া সদরের উপজেলা চেয়ারম্যান আতাউর রহমান আতা।

গেল সাতদিনে কুষ্টিয়ায় ২ হাজার ১৫১ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আর মৃত্যু হয়েছে ১০৫ জনের।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর