কোপা আমেরিকার ফাইনাল ম্যাচে ডি মারিয়ার করা একমাত্র গোলে জয় পেয়েছে আর্জেন্টিনা। কিন্তু গোলটাকে মনে নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্কের। রদ্রিগো ডি পলের পাসে ডি মারিয়ার বল নিয়ে এগিয়ে যাওয়াকে অনেকের কাছে অফসাইড মনে হচ্ছে।
ডি মারিয়া যখন বলটি রিসিভ করেন তখন আফসাইডে থাকলেও গোলটি আইনসিদ্ধ হয়েছে। কারণ বলটি তিনি রিসিভ করার আগে স্পর্শ পেয়েছিল ব্রাজিলের ১৬ নম্বর জার্সি পরা ডিফেন্ডার রেনান লোদির পায়ের। এ কারণেই এটা আর অফসাইড নয়।
এবারের চলতি ইউরো চ্যাম্পিয়নশীপেও এমন গলের দেখা মিলেছে। বেলজিয়ামের সাথে রাশিয়ার ম্যাচে বেলজিয়ামের স্ট্রাইকার লুকাকু প্রথম ১০ মিনিটেই গোল করেন। সেই গোলটাকেও অফসাইড দাবি করে অনেকে বিতর্কের জন্ম দেন। কিন্ত্য লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলেননি, ম্যাচের রেফারিও অফসাইডের বাঁশি বাজাননি।
পরবর্তীতে ভিএআর এর মাধ্যমে গোলের বৈধতা যাচাই করতে গেলে সেটি গোল হিসেবে সিদ্ধ হয়। খালি চোখে লুকাকুকে অফসাইডে দেখালেও
দ্রিস মের্টেনসের একটি ক্রসের জন্য রাশিয়ার বক্সে অপেক্ষা করছিলেন লুকাকু। তার সামনেই ছিলেন রাশিয়ার ডিফেন্ডার আন্দ্রেই সেমেনভ। তিনি বলটি বিপদমুক্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। বল সেমেনভের পায়ে লেগে একটু দূরে ছিটকে যায়। দৌড়ে গিয়ে সেখান থেকে বলের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ঠান্ডা মাথার শটে জালে পাঠান লুকাকু। টিভি রিপ্লেতে দেখা গেছে মের্টেনস যখন ক্রসটি বাড়ান, অফসাইড পজিশনে ছিলেন ইন্টার মিলানের স্ট্রাইকার। কিন্তু সেমেনভের ওই পায়ের ছোঁয়াটাই বদলে দিয়েছে পরিস্থিতি।
ফুটবলের নিয়মানুযায়ী যাদের বিপক্ষে আক্রমণ হচ্ছে তাদের ডিফেন্ডার বা কোনো খেলোয়ার যদি বলটি খেলে থাকেন তাহলে প্রতিপক্ষের খেলোয়ার আর অফসাইড হবে না।
বার্তা বাজার/এসজে