কুমিল্লার হোমনায় হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে সর্দি-কাশি-জ্বরে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। উপজেলার প্রায় ঘরে ঘরেই এখন এ ধরনের রোগীর সংখ্যা বেশি। তাদের মধ্যে জ্বর নিয়ে ভীতি থাকলেও করোনা পরীক্ষায় তেমন আগ্রহ নেই।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার বেশিরভাগ বাড়িতেই কেউ না কেউ জ্বর-কাশিতে আক্রান্ত রয়েছে। তবে করোনা আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে অনেকেই চিকিৎসকের কাছে না গিয়ে বাড়িতেই গোপনে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির্বিভাগে গিয়েও চিকিৎসা নিচ্ছেন। জ্বর ঠান্ডা ও গলাব্যথাসহ বিভিন্ন উপসর্গ নিয়ে গত এক সপ্তাহে বহির্বিভাগে ২ হাজার রোগী চিকিৎসা নিয়েছেন। এর মধ্যে শতকরা ৪০ ভাগ রোগীর মধ্যে করোনা উপসর্গ রয়েছে। কিন্ত করোনা পরীক্ষার কথা বলা হলে নানা অজুহাতে তা এরিয়ে যাচ্ছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, করোনার শুরু থেকে ১১ জুলাই রবিবার পর্যন্ত উপজেলায় ২১৭৫ টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে ৪২৪ জন আর সুস্থ হয়েছে ৩৪৩ জন। এই উপজেলায় এ পর্যন্ত মোট ৭ জন করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন।
পৌর এলাকার কারারকান্দি গ্রামের মো. আবু হানিফ চৌধুরী জানান, তিন-চার দিন ধরে তিনি জ্বর-কাশিতে ভুগছেন। চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ সেবনে কিছুটা উন্নতি হলেও করোনা পরীক্ষায় রিপোর্ট পজেটিভ এসেছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. মো. শহিদ উল্লাহ বলেন, হঠাৎ করে জ্বর-সর্দি কাশি ও শ্বাস কষ্টের রোগী বেড়ে গেছে। অনেকের করোনার উপসর্গ থাকলেও করোনা নমুনা পরীক্ষা করতে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। করোনা মহামারির এই সময়ে অবহেলা না করে সাবধানতা অবলম্বনের পরামর্শ দিয়েছেন এই স্বাস্থ্য কর্মকর্তা।
মো. তপন সরকার/বার্তাবাজার/পি