বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস আজ

আজ ১১ জুলাই বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস। প্রতি বছর দেশের জনসংখ্যায় যোগ হচ্ছে ৩০ লাখের বেশি মানুষ। বিশেষজ্ঞদের শঙ্কা, করোনার প্রভাবে জন্ম নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত হওয়ায় এর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে। তাই করোনার মতো মহামারিকে মাথায় রেখে সরকারের নতুন কর্মকৌশল নেয়া উচিত বলে মনে করেন তারা। এমন বাস্তবতায় আজ দেশে পালিত হচ্ছে বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস।

গত বছর দেশে করোনার প্রকোপ শুরু হলে সরকারি বিধিনিষেধের মুখে বাধাগ্রস্ত হয় পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম। স্বাস্থ্যকর্মীদের ঘরে ঘরে সেবাদান প্রক্রিয়াও ব্যাহত হয়। যার প্রভাব পড়ে দেশে জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমে।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর ‘স্যাম্পল ভাইটাল স্ট্যাটিসটিকস ২০২০ রিপোর্ট’ বলছে, বর্তমানে দেশে প্রজনন হার ২ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারী অনুসারে, দেশের জনসংখ্যা ১৫ কোটি ২৫ লাখ ১৮ হাজার।

তবে পরিসংখ্যান ব্যুরোর হিসাব বলছে,গত ৫ বছর ধরে দেশে ১ দশমিক ৩৭ শতাংশ হারে জনসংখ্যা বেড়েছে। চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি পর্যন্ত দেশে জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ কোটি ৯১ লাখ ১ হাজার। বর্তমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

২০১৫ সালে জনসংখ্যা ১৫ কোটি ৮৯ লাখ, ২০১৬তে ১৬ কোটি ৮ লাখ, ২০১৭তে ১৬ কোটি ২৭ লাখ, ২০১৮তে ১৬ কোটি ৪৬ লাখ, ২০১৯ এ ১৬ কোটি ৬৫ লাখ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংখ্যা বিজ্ঞান বিভাগ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মইনুল ইসলাম জানান,’যখন লকডাউন ছিলো তখন ফ্যামিলি প্লানিং বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কন্টাসেপ্টিক ব্যবহারের হার হ্রাস পেয়েছে। যিনি ব্যবহার করবেন এবং যিনি সেবা প্রদান করবেন উভয় ক্ষেত্রেই বাধাগ্রস্ত হয়েছে।’

করোনা পরিস্থিতিকে সামনে রেখে নতুন কর্মকৌশলের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা। প্রফেসর ড. নুর উন নবী আরও বলেন,’নতুন নতুন স্ট্রাটেজি যোগ করতে হবে। তাহলে আমরা ওই গ্যাপগুলোকে পুরণ করতে পারবো।’

সঠিক ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে জনসম্পদকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দেন তারা।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর