হাজেরা খাতুন বয়স ৭১ বছর। এক মেয়েও ও তিন ছেলে। তিন ছেলেই আর্থিক ভাবে অস্বচ্ছল। কয়েক মাস আগে হাজেরা খাতুনের স্বামী মারা যান। এখন তিনি সন্তানদের উপর নির্ভরশীল।
সন্তানের সংসারের টানাটানি এর মধ্যে তাদের প্রতি মাসে ৩-৪ হাজার টাকা ওষুধ লাগে। এতে তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। হাজেরা খাতুন মঠবাড়িয়ার টিকিকাটা ইউনিয়নের ১ নং পশ্চিম সেনের টিকিকাটা গ্রামের বাসিন্দ।
সরেজমিনে গিয়ে তার সাথে কথা বেলন, ‘বাবা আমার আর কত বয়স অইলে আমারে বয়স্ক ভাতা দিবো। কয় দিন বাচঁমো কে জানে। বয়স কম হইছে না। মেম্বারের বাড়িতে মেলা বার গেছি। কিছুই কইরা দেয় নাই।’
ইউপি সদস্য জসিম মৃধা বলেন, হাজের খাতুন বয়স্ক ভাতা পাওয়ার যোগ্য। আমি আজকেই খোঁজ নিয়ে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে দেখব।
এ ব্যাপারে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার তরিকুল ইসলামকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায় নি।
বার্তা বাজার/টি