হাড়িভাঙ্গা আমের বাজারে ধস

চলমান লকডাউন ও কঠোর বিধি নিষেধে ধ্বস নেমেছে হারিভাঙ্গা আমের বাজারে। রংপুরের পাইকারি বাজারগুলো অনেকটাই ক্রেতাহীন। আশংকা করা হচ্ছে এ বছর ক্ষতি দাড়াতে পারে শত কোটি টাকার উপড়। এতে অনেকটাই দিশেহারা আমচাষী ও ব্যবসায়ীরা। কৃষি বিপনন অধিদপ্তর বলছে অনলাইনে সাড়া থাকলেও লকডাউনের কারণে বাইরে থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে না পারায় লোকসানে পড়তে পারে আম চাষীরা ।

রংপুর নগরীর টার্মিনাল, পদাগঞ্জ ও লালবাগসহ হাড়িভাঙ্গার বিভিন্ন আড়ৎগুলোতে খুব একটা হাক-ডাক নেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের। নেই তেমন বেচা বিক্রিও।

বর্তমানে মণ প্রতি হাড়িভাঙ্গা আম বিক্রি হচ্ছে ১৩শ থেকে ১৬শ টাকা। অথচ গত বছর এই সময়টাতে হারিভাঙ্গা আমের মণ ছিলো ২৮শ থেকে ৩৫শ টাকা পর্যন্ত।

বাগানী ও ফড়িয়ারা বলছেন করোনার কারণে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না থাকা এবং দেশের নানা প্রান্ত থেকে ব্যবসায়ীরা আসতে না পাড়ায় ধ্বস নেমেছে আমের বাজারে।

রংপুর কৃষি বিপণণ অধিদপ্তরের উপ- পরিচালক বার্তাবাজারকে বলেন, অনলাইনে সাড়া মিললেও ব্যবসায়ীরা সরাসরি আসতে না পারায় কিছুটা ক্ষতির মুখে পড়েছেন বাগানী ও ব্যবসায়ীরা। এছাড়াও উম্মুক্ত স্থানে আমের বাজার না বসায় বিপকে পড়েছেন আম চাষী ও ব্যবসায়ীরে।

এদিকে রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বার্তাবাজারকে জানালেন, বাগানীদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পরিবহনে সহায়তার পাশাপাশি ত্রানসহ সরকারী বিভিন্ন খাদ্য তালিকায় হাড়িভাঙ্গাকে যুক্ত করার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলা পর্যায়ে এর কার্যক্রম শুরু হয়েছে। খুব শীঘ্রই জেলা পর্যায়ে শুরু হবে এর কার্যক্রম।

এবছর রংপুর জেলায় হাড়িভাঙ্গা আমের ফলন ধরা হয়েছে প্রায় ৩০ হাজার টন। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ২০০ কোটি টাকা। তবে এ বছর তা অর্ধেক দামে বিক্রির আশংকা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রকি আহমেদ /বার্তা বাজার/টি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর