লকডাউনের কারণে নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারেরগুলোো ভরসা হয়ে দাঁড়িয়েছে টিসিবি’র পণ্য। কিন্তু বরাদ্দ না থাকায় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও পণ্য না পাওয়ার অভিযোগ তাদের। এদিকে লাইনে দাঁড়ানো বিপুল সংখ্যক মানুষকে সামলাতে পুলিশ নিয়োগ করেও হিমশিম খেতে হচ্ছে কর্তৃপক্ষকে।
ফরিদপুর শহরের হাইস্কুল মার্কেটের সামনে টিসিবি ট্রাক থেকে বৃহস্পতিবার (৮ জুলাই) দুপুরে পণ্য বিক্রির সময় এই চিত্র দেখা যায়।
লাইনে দাড়ানো রিকশাচালক রাসেল জানান, এর আগেও লাইনে দাঁড়িয়ে ফেরত যেতে হয়েছে। লকডাউনের কারণে রিকশা চালানো বন্ধ। একটু কম দামে পণ্য পেতে লাইনে দাঁড়িয়েছি।
ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী আবুল হাশেম জানালেন, কর্তৃপক্ষের উচিত বরাদ্দ বাড়ানো, আশা নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকে মানুষ, তারপর পণ্য না পেয়ে ফেরত যাওয়া কষ্টের।
লাইনে দাঁড়ানো রাহেলা নামে এক শ্রমজীবি নারী জানান, আয়-ইনকাম সব বন্ধ, এখান থেকে তেল, চিনি আর ডাল নিয়েছি। কিন্তু ঘরে চাল নেই, চাল ছাড়া কি রান্না করবো? কি খাবো? বাজারে তো চালের অনেক দাম, এখান থেকে যদি কম দামে ব্যবস্থা করে দিতো সরকার।
টিসিবি ডিলারের প্রতিনিধি মো. হুমায়ূন কবীর জানান, তারা প্রত্যেককে ৪ লিটার সয়াবিন তেল, ২ কেজি চিনি ও ২ কেজি করে ডাল দিচ্ছেন। তারা প্রতিদিন ২’শ থেকে ২১৫ জনকে পণ্য দিতে পারছেন। অনেকে ফেরত যাচ্ছে, কারণ তাদের বরাদ্দ কম, সবাইকে পণ্য দিতে পারছেন না তারা।
দায়িত্বরত ফরিদপুর কোতয়ালী থানার উপ পরিদর্শক নজরুল ইসলাম জানান, তারা লাইনে দাঁড়ানো পণ্য নিতে আসা মানুষদের কোলাহল ঠেকানো ও স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কাজ করছেন।
বার্তাবাজার/পি