চিকিৎসককে মারধরের ঘটনায় পদ হারালেন যুবলীগ নেতা
ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত চিকিৎসককে মারধর করে কারাগারে যেতে হয়েছে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল হক মনিকে। এ ঘটনায় এবার যুবলীগের সভাপতির পদ হারাতে হল তাকে।
বৃহস্পতিবার (০৮ জুলাই) দুপুরে মনিকে মুক্তাগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতির পদ থেকে জেলা যুবলীগ সাময়িক অব্যাহতি দিয়ে বিজ্ঞপ্তি দেয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে জেলা যুবলীগের আহবায়ক এডভোকেট আজহারুল ইসলাম বলেন, চিকিৎসককে লাঞ্চিত ও মারধরের অভিযোগে মনির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করায় জেলা যুবলীগ জরুরীভাবে আলোচনায় বসে। পরে কেন্দ্রীয় যুবলীগের নির্দেশে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করায় মুক্তাগাছা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি থেকে মাহবুবুল হক মনিকে সাময়িক অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (০৬ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগী চিকিৎসক এ এইচ এম সালেকিন মামুন বাদী হয়ে মুক্তাগাছা থানায় মামলা করেন। মামলায় ওই চিকিৎসক অভিযোগ করেন, মঙ্গলবার দুপুর ২টার দিকে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি সেবার নম্বরে কল করেন মাহবুবুল হক মনি। এ সময় তিনি তার মায়ের করোনা পরীক্ষার জন্য বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহের বিষয়ে জানতে চান। তখন তাকে বলা হয়, বাসায় গিয়ে নমুনা সংগ্রহ বন্ধ রয়েছে।
তার মাকে হাসপাতালে নিয়ে এসে নমুনা জমা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর মনি তার দলবল নিয়ে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে তার কক্ষে ঢুকে দরজা বন্ধ করে গালিগালাজ ও মারধর করেন।
পরে রাতেই উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মাহবুবুল হক মনি এবং পরদিন দুপুরে তার চার সহযোগিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। পরে তাদেরকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
নাজমুস সাকিব/বার্তা বাজার/টি