আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মার্কেট নির্মাণ: উভয় পক্ষের পাল্টা বক্তব্য
কক্সবাজারের টেকনাফে আদালতের নির্দেশ অমান্য করে মার্কেট নির্মাণের ঘটনায় সংবাদ প্রকাশের পর এলাকায় আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনায় উভয় পক্ষের পাল্টা-পাল্টি বক্তব্য পাওয়া গেছে।
এই সংবাদের সূত্র ধরে অভিযুক্ত এনামুল হক মেম্বার রিপোর্ট প্রকাশের আগে বক্তব্যের বিষয়টি এড়িয়ে গেলেও ২৪ ঘন্টা শেষ না হতেই লিখিত এক বার্তায় ‘বার্তা বাজার’ কে এই ঘটনার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেছেন বিগত ২০১৪ সালে চূড়ান্ত বিএস খতিয়ান ১৭২৬৯ তফসিলের প্রকৃত মালিক ছৈয়দ আলম গং গফুর আলম দ্বয়ের কাছ থেকে সৃজিত খতিয়ান মূলে ২৫ শতক জমি আমার নামে ক্রয় করি। উক্ত ক্রয়কৃত জমিতে আমার প্রতিবেশী ফরিদ গং জোরপূর্বক দখল করতে প্রচেষ্টা চালালে আমার ভাই আজিজুল হক ও হাফেজ নুরুল হক মৌখিক ভাবে নিষেধ করতে গেলে তাদের লালিত সন্ত্রাসীরা আমার ভাই হাফেজ নুরুল হককে দিনদুপুরে প্রকাশ্যে কুপিয়ে জখম ও আজিজুল হককে গুলি করে হত্যা করে।
পরবর্তীতে ২০১৮ সালে উক্ত জমিতে শহীদ আজিজুল হক বালিকা মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করি। ২০১৯ সালে ২৫ শতক জমি মাদ্রাসা বরাবরে লিখিত দানপত্র করে দালিলিক কাগজ পত্র মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানান্তর করি।
আমার প্রতিপক্ষ ফরিদ গং ২০১৮ সালে আদালতে আমার মালিকানার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করলে আদালত কর্তৃক সরেজমিন তদন্ত আদেশ প্রদান করেন। যথাযথ কর্তৃপক্ষ তদন্ত সাপেক্ষ আদালতে উপস্থাপন করলে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষকে পরবর্তী তারিখে আদালতে উপস্থিত থাকতে আরেকটি আদেশ প্রেরণ করেন।
নির্দিষ্ট সময়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আদালতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র উপস্থাপন করে। আদালত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিবেচনা করে ও দালিলিক কাগজ পর্যালোচনা করে মামলার পরবর্তী দিন তারিখ ধার্য্য করেন। বর্তমান সেই মামলা বিচারাধীন রয়েছেন আদালতে।
উক্ত প্রতিষ্ঠান থেকে আমি দুইটা দোকান শর্তসাপেক্ষে নিয়ে মুদির দোকান করেছি মাত্র। এই পরিবারটি আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র আবারও শুরু করেছে, যা টেকনাফের সর্ব মহল অবগত রয়েছে। সুতরাং এই জমির বিষয়ে প্রয়োজনীয় কাগজ পত্র নিয়ে আদালতে হাজির হয়ে বিষয়টি সমাধানের প্রস্তুতি নেয়ার আহবান জানাচ্ছি।
এই ঘটনায় জমির মালিক দাবীদার ফরিদ আলম জানান- জমির সমস্ত দলিল আমরা আদালতকে হস্তান্তর করার পর আদালত উক্ত জমিতে স্থিতিতিশীল অবস্থায় থাকার নির্দেশ দেন। আদেশ অমান্য করে স্থাপনা নির্মান বন্ধের ব্যবস্থা নিতে টেকনাফ থানা বরাবরে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তারা আদেশ অমান্য করে দোকান ঘর বানিয়ে ব্যবসা করার আইনত কোন সুযোগ নেই। তাই আদালতের নির্দেশ বজায় রাখতে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
বার্তা বাজার/টি