বিধিনিষেধের কারণে পার্সেল নেয়া ছাড়া হোটেলে বসে খাওয়া নিষেধ। তাতে কি? অনেকের শখ হয়েছে হোটেল গিয়ে চায়ের সঙ্গে খাবেন পরোটা, কেউ খাবেন সিংগারা। তাই বিধিনিষেধ অমান্য করে রাস্তায় বের হয়ে দেখাচ্ছেন নানা অজুহাত।
চট্টগ্রামে ভ্রাম্যমাণ আদালত ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী মাঠে থাকলেও তোয়াক্কা করছে না অনেকেই।
একটি বেসরকারি কোম্পানীতে চাকরি করেন আল আমিন। বিধিনিষেধের মধ্যে মোটরসাইকেলে গণমাধ্যমের স্টিকার লাগিয়ে ব্যক্তিগত কাজে বের হয়ে আটক হন আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে।
সাংবাদিক পরিচয় দেয়া বেসরকারি কোম্পানির কর্মকর্তা আল আমিন বলেন,’আমি এই পেশার পাশাপাশি একটু লেখালেখির চেষ্টা করি। আমি একটি সিকিউরিটি কোম্পানিতে গতমাসে ম্যানেজার হিসেবে জয়েন করেছি।’
পত্রিকা বা অনলাইন সংবাদপত্রের স্টিকার মোটরসাইকেলে লাগিয়ে গণমাধ্যমকর্মী পরিচয় দিয়ে যাত্রী পরিবহণ করছে অনেকেই। সাংবাদিক পরিচয় দেয়া পাঠাও চালক বলেন,’আমি সাংবাদিকের লাইনে আছি। মূল কাজ হচ্ছে রিপোর্ট করা।’
আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে আটকের পর সাফাই গেয়ে পার পাওয়ার চেষ্টা নির্দেশ অমান্যকারীদের। সাংবাদিক পরিচয় দেয়া পাঠাও চালক ও যাত্রী বলেন,’উনি প্রেসের লোক ছিলো। উনি লাগিয়েছিলো। আমি অনেক ঘষাঘষি করে তুলে ফেলছি। এরপরও ওঠেনি। ওনার সাথে পথে দেখা। জিজ্ঞেস করছি আগ্রাবাদ যাবে কিনা?’
বন্দরনগরীর প্রধান সড়কগুলোতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী তৎপর থাকলেও অলিগলির চিত্র ভিন্ন।
বিনা কারণে রাস্তায় বের হলে ভ্রাম্যমাণ আদালতে গুণতে হচ্ছে জরিমানা। তারপরও নানা অজুহাতে বের হচ্ছে মানুষ।
বার্তাবাজার/পি