নোয়াখালী জেলা আ’লীগ: বাদ পড়ছেন একরাম, আলোচনায় কাদের মির্জা
নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল করিম চৌধুরীকে জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক থেকে সরিয়ে দেয়া হচ্ছে বলে নোয়াখালীর রাজনীতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা সমালোচনার গুঞ্জন বয়ে যাচ্ছে।
রবিবার (৪ জুলাই) নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি অধ্যক্ষ এএইচএম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম বসুরহাট পৌরসভা মেয়র আবদুল কাদের মির্জার বাড়িতে সাক্ষাত করায় আলোচনা সমালোচনার গুঞ্জন আরো বেড়ে যায়।
পদ হারানোর বিষয়ে শনিবার নিজের ফেসবুক লাইভে এসে নিজেই মুখ খুললেন এমপি একরামুল করিম চৌধুরী। তিনি বলেন, “ফেসবুকসহ বিভিন্ন মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। আমি তো ২৫ বছর চালিয়েছি, তিনবার এমপিগিরি করছি। আর নির্বাচনী এলাকায় মানুষদের সেবা করতে আমার কোনো পোস্ট (পদ) লাগে না। আমি আপনাদের পাশে ছিলাম এবং ভবিষ্যতেও থাকব।”
এদিকে নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের কমিটি নিয়ে নোয়াখালী পৌরসভার মেয়র শহীদল্লাহ খান সোহেল, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন, চৌমুহনী পৌরসভার সাবেক মেয়র আকতার হোসেন ফয়সাল, বেগমগঞ্জ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহনাজ বেগম সহ জেলার বিভিন্ন নেতাকর্মী বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জার সাথে একান্ত সাক্ষাত করেন।
রবিবার সকালে নোয়াখালী জেলা রাজনীতি ও বিভিন্ন বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বার্তা নিয়ে মেয়র আবদুল কাদের মির্জা ও তার প্রতিপক্ষ উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মাহবুবুর রশীদ মঞ্জুর সাথে আলোচনা করেন নোয়াখালী জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ খায়রুল আনাম সেলিম।
এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর ফেসবুক লাইভের বক্তব্য ও জেলার গ্রুত্বপূর্ন ব্যক্তিদের কাদের মির্জার সাথে সৌজন্য সাক্ষাতের বিষয়কে গ্রুত্বদিয়ে বিবেচনা করছেন নোয়াখালী ও কোম্পানীগঞ্জের গ্রুত্বপূর্ন রাজনিতীবিদ। সার্বিক পরিস্থিতির ওপর বিবেচনা করে অনেকেই ঘোষণা দিচ্ছেন এমপি একরামকে জেলা কমিটি থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এখন শুধু ঘোষণার অপেক্ষায়।
উল্লেখ্য, বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দীর্ঘ ৬ মাস যাবত নোয়াখালী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমপি একরামুল করিম চৌধুরীর বিরুদ্ধে গুম-খুন,চাকুরী বানিজ্য ও সন্ত্রাসীসহ নানা অভিযোগে সমালোচনা করেন এবং তাকে জেলা কমিটি থেকে বাদ দেয়ার দাবী করে আসছেন।
বার্তা বাজার/এসজে