পাকুন্দিয়ায় ১৯ জনকে জরিমানা; কঠোর অবস্থানে পুলিশ

কোভিড-১৯ সংক্রমণ রোধে সাত দিনের কঠোর লকডাউনের চতুর্থ দিনে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় কঠোর অবস্থানে পুলিশ ও প্রসাশন, দোকান খোলা ও মাস্ক না পরার অপরাধে দোকানীসহ ১৯ জনকে ১০ হাজার ৩০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে ও খাদ্য সহায়তা এবং বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়েছে।

পৌর সদর বাজারের বিভিন্ন সড়ক ও মোড়ে মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে লোক চলাচল নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন পুলিশ।

রবিবার (৪ জুলাই ) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত পৌর সদরের বেশ কয়েকটি সড়ক ঘুরে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুলিশের কঠোর অবস্থানের চিত্র দেখা যায়। মোড়ে মোড়ে পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে, চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া রাস্তায় কাউকে থাকতে দিচ্ছে না তারা।

এ বিষয়ে পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সারোয়ার জাহান বলেন, আইজিপি স্যার ও কিশোরগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ মাশরুকুর রহমান খালেদ, বিপিএম(বার) স্যারের নির্দেশে করোনা মোকাবেলায় পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ টহল, প্রচারণা সহ সড়কে থামিয়ে কোথায় যাচ্ছেন, কেন যাচ্ছেন- এমন সব প্রশ্নের পর যৌক্তিক জবাব দিতে পারলেই সাধারণ মানুষকে গন্তব্যে যেতে দেওয়া হচ্ছে। না হয় ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে সবাইকে। রাস্তায় গণপরিবহন চলছে না। তবে চলছে ব্যক্তিগত ও অফিসের গাড়ি। রিকশা চালু আছে। অনেকেই গন্তব্যে যাচ্ছেন হেঁটে।

বিধিনিষেধ না মানায় উপজেলার পৌর সদর, মির্জাপুর, তারাকান্দি, হোসেন্দি, নারান্দি, আজলদি, পুলেরঘাট বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৯ টি মামলায় ১০৩০০ টাকা জরিমানা আদায় করেন। এ সময় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত) একেএম লুৎফর রহমান।

লুৎফর রহমান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, পাকুন্দিয়া থানা পুলিশের একটি চৌকশ দলসহ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রশাসক মহোদয়ের নির্দেশক্রমে করোনা ভাইরাস সংক্রমণরোধে লকডাউন অমান্য করে দোকান খোলা রাখা ও মাস্ক না পরার অপরাধে উপজেলার পৌর সদর, মির্জাপুর, তারাকান্দি, হোসেন্দি, নারান্দি, আজলদি, পুলেরঘাট বাজারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।

দন্ডবিধি ১৮৬০ এর ২৬৯ ধারায় নির্দেশ অমান্য করায় এবং স্বাস্থ্যবিধি না মানায় দোকানীসহ মোট ১৯ জনকে ১০৩০০/-টাকা জরিমানা করা হয়।

উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে খাদ্য সহায়তা ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

এছাড়াও বাজারগুলোতে অবস্থিত দোকানপাট পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত বন্ধ রাখতে বলা হয়।তবে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। গত চারদিনে ৬২ টি মামলায় ২৯ হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়।

হুমায়ুন কবির/বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর