দীর্ঘ আট বছর পর আবারও বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক কিনবে যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্র্যান্ড ওয়াল্ট ডিজনি। রানা প্লাজা ধসের পর, প্রতিষ্ঠানটি এদেশ থেকে তাদের ব্যবসা সরিয়ে নেয়।
ব্র্যান্ডটির নতুন করে ফিরে আসার সিদ্ধান্তকে, পোশাক খাতে বাংলাদেশের সংস্কার কার্যক্রমের বড় স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন উদ্যোক্তারা।
২০১৩ সালের আগে ১২টির মতো দেশের ডিজনি শপের তিনশ’র ও বেশি বিক্রয় কেন্দ্রে থাকতো বাংলাদেশের তৈরি পোশাক। কিন্ত রানা প্লাজা ধসের পর, কাজের অনিরাপদ পরিবেশের কারণ দেখিয়ে বাংলাদেশ থেকে পোশাক নেয়া বন্ধ করে দেয় ওয়াল্ট ডিজনি।
মাঝে কেটে গেছে আট বছর। ইউরোপ-আমেরিকার দুই ক্রেতাজোট অ্যালায়েন্স-অ্যাকর্ড বাংলাদেশের পোশাক কারখানায় সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে বহুদিন। বদলে গেছে কারখানার কর্মপরিবেশ। তাই আবারও ক্রেতা হিসেবে ফিরছে ওয়াল্ট ডিজনি। এমন তথ্য জানিয়েছে বিজিএমইএ।
বিজিএমইএ’র সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আজীম বলেন, ‘পৃথিবীর অন্যতম শ্রেষ্ঠ ব্যান্ড ওয়াল্ট ডিজনি আবারও বাংলাদেশ থেকে পোষাক নিতে উচ্ছা প্রষোণ করেছেন। যা অনেক বেশি গর্বের বিষয়। আমাদের দেশের জন্য এটা একটা বড় সুখবর।’
২০১৩’র আগে বাংলাদেশ থেকে বছরে ৫০ কোটি ডলার বা ৪ হাজার কোটি টাকার পোশাক কিনতো ক্রেতাপ্রতিষ্ঠানটি। যার শতভাগই চলে যায় ভিয়েতনামে।
বিকেএমইএ’র প্রথম সহ-সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ২০১৩ সালে রানা প্লাজা ধসের পর বাংলাদেশ থেকে পোশাক কেনা বন্ধ করেছিলো ওয়াল্ট ডিজনি। সেখান থেকে আমরা আবার ঘুরে দাড়িয়েছি। তার প্রমান হচ্ছে ওয়াল্ট ডিজনির ফিরে আসা।’
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা-আইএলও’র বেটার ওয়ার্ক প্রোগ্রাম, পোশাক কারখানার কর্মপরিবেশ তদারকিতে নিয়োজিত নিরাপন ও আরএমজি সাসটেইনেবল কাউন্সিলে-আরএসসির অধীনে থাকা কারখানাগুলো ওয়াল্ট ডিজনির রপ্তানী আদেশ পাবে।
বার্তাবাজার/পি