বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন থেকে ৩০ জুন ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল লিটার প্রতি সয়াবিন তেলের দাম ৪ টাকা করে কমানোর। এই দাম বৃহস্পতিবার থেকেই কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু বাজার ঘুরে দেখা গেল উল্টো চিত্র। চাল-তেলসহ মোট ৫ পণ্য এক সপ্তাহের ব্যবধানে বিক্রি হচ্ছে বাড়তি দরে।
শুক্রবার (০২ জুলাই) রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে ক্রেয়া-বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে সব ধরনের সবজিও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।
বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রদত্ত মূল্য অনুযায়ী বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হওয়ার কথা প্রতি লিটারে ১৪৯ টাকা। খোলা সয়াবিন বিক্রির মূল্য নির্ধারণ হয়েছিল ১২৫ টাকা। কিন্তু বাজারে বোতলজাত সয়াবিন ১৫৩-১৫৪ টাকায় বিক্রি হয়েছে। আর খোলাটার দাম লিতার প্রতি ১৩০-১৩৫ টাকা।
এ বিষয়ে রাজধানীর রামপুরা কাঁচাবাজারের মুদি বিক্রেতা আলাউদ্দিন জানান, তেলের দাম কমানোর ঘোষণার কথা শুনেছি। কিন্তু নতুন করে তেল কেনা হয়নি। আগে যে দামে কিনেছি সেই দামে কিছু লাভ করে বিক্রি করছি। নতুন করে তেল কিনলে কম দামে পেলে কম দামেই বিক্রি করবে।
তেলের সাথে পাল্লা দিয়ে দাম বেড়েছে চালসহ চার পণ্য- আলু, দারুচিনি ও হলুদ সপ্তাহের ব্যবধানে দাম বেড়েছে। সেক্ষেত্রে প্রতিকেজি মাঝারি আকারের চাল বিক্রি হয়েছে ৫৫-৫৬ টাকা, যা গত সপ্তাহে বিক্রি হয়েছে ৫০-৫৩ টাকা। সরু চাল প্রতিকেজি ৬০-৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। যা গত সপ্তাহে ৫৬-৬৫ টাকায় বিক্রি হয়।
গত সপ্তাহে ২০ টাকা কেজি প্রতি যে আলু বিক্রি হয়েছে এখন সেটা বিক্রি হচ্ছে ২৪ টাকা করে। সাত দিন আগে যে দারুচিনি বিক্রি হয়েছে ৩৬০ টাকা করে এখন সেটার দাম ৪০০ টাকা। এছাড়া প্রতিকেজি হলুদ ২৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা সাত দিন আগে ২২০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।
এদিকে এক সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ১০ টাকা করে। ৮০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হওয়া গত সপ্তাহের পাকা টমেটোর দাম এখন ১০০-১২০ টাকা। একই ভাবে দাম বেড়েছে গাজরেরও। প্রতি কেজি পটল বিক্রি হচ্ছে ৪০-৫০ টাকা, ঢেড়সের বাজারদর এখন ৪০-৫০ টাকা, বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৭০ টাকা।
বার্তা বাজার/এসজে