দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে করোনায় আক্রান্ত রোগীদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হচ্ছে। কিন্তু সরকার ঘোষিত কঠোর লকডাউনের মধ্যে সড়ক-মহাসড়কে চেকপোস্ট থাকায় রোগীদের নিয়ে স্বজনদের হাসপাতালে পৌঁছাতে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলেও জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) রাবেয়া নামের এক নারীকে নড়াইল থেকে বুকের গুরুতর সমস্যার কারণে ঢামেকে আনা হয়। তাকে বহনকারী অ্যাম্বুলেন্সের চালক রাসেল মিয়া জানান, সরকারের নতুন লকডাউনের কারণে নদীর দুই পাড়ে ৫/৬ বার পুলিশের চেকপোস্টে দাঁড়িয়েছি। পরে অবশ্য অ্যাম্বুলেন্সে রোগী দেখে পুলিশ সদস্যরা ছেড়ে দিয়েছেন। বারবার থামার কারণে হাসপাতালে পৌছতে অনেক দেরী হয়েছে।
দুপুরের দিকে ব্রাহ্মনবাড়িয়া থেকে আবুল ফয়েজ নামের এক মধ্য বয়স্ক করোনায় আক্রান্ত ব্যক্তিকে ঢামেক করোনা ইউনিটে আনা হয়। তখন তার প্রচণ্ড শ্বাস কষ্ট হচ্ছিল। হাসপাতালের লোকজন দ্রুত রোগীকে নামিয়ে ওয়ার্ডে নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ভর্তির ব্যবস্থা করেন।
আবুল ফয়েজের স্ত্রী জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তিরত অবস্থায় সকালে তার শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। যার জন্য পাঠানো হয় ঢাকায়।
তাদের অ্যাম্বুলেন্স চালক শফিক মিয়া জানান, রোগীকে নিয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় আনার পথে কয়কবার চেকপোস্টে দাঁড়াতে হয়েছে। পুলিশ জানালা দিয়ে গাড়ির ভেতরে রোগী দেখেই ছেড়ে দিয়েছে। এজন্য বিলম্ব হওয়ায় রোগীর শ্বাসকষ্ট কিছুটা বেড়ে যায়। কিন্তু গাড়িতে অক্সিজেন সিলিন্ডার থাকায় কিছুটা রক্ষা হয়েছে।
বার্তা বাজার/এসজে