‘নাটোরের সম্রাট’ ঈদে বিক্রি হবে ২০ লাখে
কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে নাটোরের গুরুদাসপুরে প্রস্তুত করা হয়েছে ১২শ ৩৩ কেজি ওজনের বিশালাকার এক গরু। মণের হিসেব করলে দাঁড়াবে ৩২ এ। নাম রাখা হয়েছে ‘নাটোরের সম্রাট’। প্রতিদিন অসংখ্য মানুষ সম্রাটকে দেখতে ভিড় করছেন খামারে। অনেকেই সেলফিও তুলছেন তার সাথে।
সম্রাটের আনুমানিক দাম চাওয়া হচ্ছে ২০ লাখ টাকা। তবে বাজারের পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে ভাল দাম পেলেই সম্রাট কে বিক্রি করে দিবেন খামারি মোঃ মাসুদ রেজা। এই খামারি মাসুদ রেজা পেশায় একজন শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি মাস্টার ডেইরি ফার্ম নামের একটি খামার দিয়ে শুরু করেন উন্নত জাতের গরু, ছাগল, কবুতর থেকে শুরু করে পাখি পালন।
এবারের ঈদ কে সামনে রেখে তার খামারের চারটি ষাড় বিক্রির উপযোগী করে তুলেছেন তিনি। তবে খামারের সবচেয়ে বড় গরুটিই সম্রাট। গত তিন বছর তিন মাস যাবৎ তিনি সম্রাট কে তার খামারে পালন করে আসছেন। যার দৈর্ঘ্য ৮৬ ইঞ্চি ও বুকের বের ৯৮ ইঞ্চি। ওজন ৩২ মণ। গায়ের রং কালো। খামারে তার গরুর সংখ্যা দাড়িয়েছে ২২টি।
প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে কাঁচা ঘাস, গমের ভূষি, ভুট্টা ভাঙ্গা, খেসারী ভাঙ্গা, খৈলসহ আরো অনেক খাবার। খামারে গরু-ছাগলের পরিচর্যা করার জন্য রাখা হয়েছে দুই জন শ্রমিক।
খামারে সম্রাটকে পরিচর্যার দায়িত্বে থাকা শ্রমিকরা জানালেন, গরুটি অনেক শান্ত। খাবার ও ঠিক সময়ে খায়। খামারীর ছেলে ও মেয়ে জানান, প্রতিদিন তাদের গরু দেখতে তাদের অনেক বন্ধুরা খামারে আসে।
খামারি মোঃ মাসুদ রেজা জানালেন তিনি পেশায় একজন শিক্ষক। শিক্ষকতার পাশাপাশি তিনি মাস্টার ডেইরি ফার্ম নামের একটি খামারে গরু পালন শুরু করেন।
খামারি মোঃ মাসুদ রেজা বলেন, সম্রাট কে গত তিন বছর তিন মাস যাবৎ পালন করে এবারের ঈদের জন্য প্রস্তুত করেছি। আশা করছি ভালো দামে বিক্রি করতে পারবো। যদি দাম ভালো পাই তাহলে আমার খামারে প্রতি বছর এরকম নতুন নতুন বড় গরু উপহার দিতে পারবো সকলকে।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মোঃ গোলাম মোস্তফা বললেন, মাসুদ রেজা আমাদের রেজিস্টারকৃত খামারী। উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড় গরু নাটোরের সম্রাট তার খামারেই। আশা করি তিনি এবারের ঈদে ভালো দাম পাবেন।
বার্তা বাজার/এফএইচপি