পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলায় ধর্ষণে শিকার এক স্কুল ছাত্রী কন্যা সন্তান প্রসব করেছে। এ ঘটনায় এজাহারভুক্ত গ্রেফতারকৃত আসামির ডিএনএ টেস্ট করা হয়েছে। শিশুটির পিতৃপরিচয় নির্ধারণ করতে এ টেস্ট করা হয় বলে জানায় থানা পুলিশ।
ভুক্তভোগী (হাসনা ছন্ম নাম) (১৪) নামের ওই কিশোরী বাদী হয়ে বুখইতলা বান্ধবপাড়া গ্রামের মৃত মাসুদ আলমের পুত্র মোঃ নাঈম (২১) ও তার মা নুর নাহার বেগমকে আসামি করে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা করেন।
পুলিশ অভিযুক্ত আসামিকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়।এর মধ্যে গত ১৬ মে সন্তান প্রসব করে অন্তঃসত্ত্বা কিশোরী।আর ওই সন্তানের পিতৃপরিচয় নির্ধারনে রবিবার ২৭ জুন তাদের ডিএনএ টেস্ট করা হয়।
মামলার সূত্রে জানা, গত (১৮ মার্চ) সকাল ৮টার দিকে তানিয়া ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় অভিযুক্ত নাঈমের বাড়িতে যায়।কিন্তু নাঈমের মা মামলার ২ নং আসামী নূর নাহার বেগম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত হয়েও তানিয়াকে ওই বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেয়।এতে ভুক্তভোগী মামলা করতে বাধ্য হয়।
ভুক্তভোগীর মা বলেন,আমার মেয়ে স্হানীয় বিবিএস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী। ৬ষ্ঠ শ্রেনীতে ভর্তি হওয়ার পর থেকেই ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী অভিযুক্ত নাঈম প্রেমের সম্পর্ক গড়ে বিবাহের প্রস্তাব দিয়ে গোপনে শারীরিক সম্পর্ক করে।
অভিযুক্ত নাঈমের মা নূর নাহার বেগম বলেন, “আমার ছেলে নাঈমতো সেরকম ছেলে না। ওতো এ ধরনের কাজ করতে পারে না। ” আপনার ছেলে এ ঘটনায় জড়িত না থাকার পক্ষে কি যুক্তি আছে – এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন,”আমি আপনাকে পরে জানাচ্ছি।”
মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাঃ নূরুল ইসলাম বাদল বলেন, এ ঘটনায় মামলা পরবর্তী আসামী গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে এবং সন্তান, মা ও অভিযুক্তের ডিএনএ টেস্ট সম্পন্ন হয়েছে।রিপোর্ট পেয়ে মামলার পরবর্তী প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে।
বার্তা বাজার/টি