মোস্তাফিজ রাকিব,ইবি প্রতিনিধিঃ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি সংক্রান্ত এক মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার প্রশাসন ভবনের সম্মেলন-কক্ষে বেলা ১১টার দিকে এটি শুরু হয়।
সরকারি কর্মব্যবস্থাপনার আওতায় গত ২০ জুন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সাক্ষরের ধারাবাহিকতায় শীঘ্রই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়টির অনুষদ, ইন্সটিটিউট, বিভাগ ও অফিসসমূহের একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি সম্পাদনের লক্ষ্যে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হলো।
এপিএ ফোকাল পয়েন্ট উপ-রেজিস্ট্রার (প্রশাসন) মোঃ নওয়াব আলী খানের সঞ্চালনায় উক্ত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ হারুন-উর-রশিদ আসকারী বলেন, এ্যানুয়েল পারফরমেন্স এগ্রিমেন্ট হলো, একুশ শতকে জাতির কাছে, মানুষের কাছে, পৃথিবীর কাছে আমাদের যে দায়বদ্ধতা তার একটি দলিল। এখন সংখ্যাসূচকের ভিত্তিতে দেখাতে হবে আমরা এক বছরে কী উন্নয়ন করেছি। তিনি বলেন, উন্নয়ন এই নয় যে, হঠাৎ করে একটা আলোর ঝলক, পরে আবার অন্ধকার। টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্য অর্জনের জন্য অনিবার্য বিষয়গুলো হলো সুশাসন, স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং সম্পদের যথাযথ ব্যবহার। একটি সুশৃঙ্খল কাঠামোর মধ্যে পদক্ষেপের মাধ্যমে উন্নয়নের উপর ভাইস চ্যান্সেলর গুরুত্বারোপ করেন।
সভাপতির বক্তব্যে উপ-উপাচার্য এবং এপিএ টীমের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ শাহিনুর রহমান বলেন, বর্তমান সময় দাবি করে যে, একজন মানুষ তার দক্ষতার সর্বোচ্চটা যেন দিতে পারে। এ্যানুয়েল পারফরমেন্স এগ্রিমেন্ট সেক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কোষাধ্যক্ষ ড. মোঃ সেলিম তোহা বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা এক সাগর রক্তের বিনিময়ে অর্জিত বাংলাদেশকে নিয়ে এবং বর্তমান ইবি প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে নিয়ে যে স্বপ্ন দেখছেন তা বাস্তবায়নের জন্য আমাদের এই বার্ষিক কর্ম সম্পাদন চুক্তি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি বিশ্বাস করি।
এসময় ডিনবৃন্দ, সভাপতিবৃন্দ, হল প্রভোস্টবৃন্দ ও অফিসপ্রধানগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।