আড়াই টাকা গড়মিলের অভিযোগে চাকরিচ্যুত। জেলও খাটেন দুই মাস। ঘটনাটি এরশাদের আমলে। অবশেষে ৩৯ বছর পর বাতিল হলো, সেই সাজা। বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে, বেতন-ভাতার সব টাকা। সর্বোচ্চ আদালতের এ রায়ে খুশি মুক্তিযোদ্ধার পরিবার।
আশির দশকে পাট সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারি হিসেবে চাকরি করা ওবায়দুল আলম আকনের আজ বড় তৃপ্তির দিন। চার দশক পর ন্যায়বিচার পেলেন এই বীর মুক্তিযোদ্ধা।
এরশাদ শাসনামলে আড়াই টাকা বেশি দরে সরকারি পাটের বীজ বিক্রি করেছেন এমন অভিযোগ আনা হয় ওবায়দুল আলমের বিরুদ্ধে। গ্রেফতারের পর সামরিক আদালতের রায়ে ১৯৮২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুতির পাশাপাশি জেল ও আর্থিক জরিমানা করা হয় আকনকে।
৩০ বছর পর সামরিক আদালতের সেই রায় হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করে রিট করেন তিনি। রিট শুনানি ২০১৭ সালে আকনের পক্ষে যায়।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম