তৃণমূলের ত্যাগী কর্মীরাই নেতা নির্বাচিত করবে-আবুল কাশেম

মো: হিসবুল্লাহ চকরিয়া-পেকুয়া প্রতিনিধি: তৃণমূলের নেতাকর্মীরাই গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত, আওয়ামী লীগে সৈরতন্ত্র বা ব্যাক্তিতন্ত্রের কোন স্থান নেই বলে হুশিয়ারী উচ্চারণ করেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পেকুয়া উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম। পেকুয়ায় সদর ইউনিয়নের আওতাধীন ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠানে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন প্রধান অতিথির বক্তব্যে।

আজ বুধবার (২৬জুন) সকাল ১০টায় উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সম্মেলন ও কাউন্সিলরদের প্রত্যক্ষ ভোটে সকাল ১১টায় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি(ভারপ্রাপ্ত) শাহনেওয়াজ চৌধুরী বিটুর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাংবাদিক জহিরুল ইসলাম। বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি বশির আলম, মুক্তিযুদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক খলিলুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক এম ওসমান গণি এম ইউপি,উপজেলা আওয়ামী লীগের সদস্য অাতিকুর রহমান, উপজেলা অা’লীগ নেত্রী শাহনেওয়াজ বেগম, আওয়ামী লীগ নেতা আক্তার আহমেদ , আওয়ামী লীগ নেতা কাইছার চৌধুরী,মোঃ ইকবাল, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ বারেক, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক জালাল উদ্দিন, শ্রমিকলীগের সভাপতি নুরুল অাবছার, সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদক নেজাম উদ্দিন,উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি কপিল উদ্দিন বাহাদুর,সাবেক জেলা ছাত্রলীগ নেতা আমির আশরাফ রুবেল,উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ন আহবায়ক শহিদুল ইসলাম শাহেদ, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদুজ্জামান চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সম্পাদক আমিরুল খোরশেদ।

১১টায় কাউন্সিলে একাধিক প্রার্থী হওয়ায় ভোটের মাধ্যমে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত হয়।এ নির্বাচন পরিচালনার প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দায়ীত্ব দেয়া হয় সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আজম খানকে। সহকারী নির্বাচন কমিশনারের দায়িত্ব দেয়া হয় ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম ও আওয়ামী লীগ নেতা জহিরুল ইসলাম।

নির্বাচনে সভাপতি পদে ৩জন অার সাধারণ সম্পাদক পদে ৪জন নির্বাচনী যুদ্ধে অংশ গ্রহণ করেন।

১৫৫ কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে সর্বোচ্চ ৯৪ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন চেয়ার মার্কা প্রতীক নিয়ে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী নুরুল কাইয়ুম।

৭৩ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে কলসী প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হন মোঃ আরমানুল ওসমান চৌধুরী।

এদিকে সম্পূর্ণ গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ও নিরপেক্ষভাবে ওয়ার্ড সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তৃণমূলের নেতাকর্মীরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। এর ধারাবাহিকতা বজায় রাখার জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের প্রতি তৃণমূল আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা আহবান জানান।

সম্মেলন অনুষ্ঠানে সাধারণ সম্পাদক আবুল কাশেম বলেন, আমি প্রথমে সদ্য প্রয়াত নেতা আমার অভিভাবক এডভোকেট আমজাদ হোসেনের মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব করছি ও আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। তার মৃত্যুতে কক্সবাজার জেলা ও পেকুয়া উপজেলা অা’লীগে যে শূন্যতা সৃষ্টি হয়েছে তা কখনো পুরুণ হওয়ার নয়। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের নির্দেশে ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হবে। প্রথমে ওয়ার্ড তারপর ইউনিয়ন সম্মেলন ও কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। সর্বশেষ সেপ্টেম্বরের আগে উপজেলা আওয়ামী লীগের কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হবে। ইনশাল্লাহ কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুযায়ী পেকুয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ সুসংগঠিত হবে। এখানে আমার কোন পছন্দের প্রার্থী নাই। ত্যাগী নেতাকর্মীরাই ভোটের মাধ্যমে যাদের নেতা বানাবে তারাই নেতা। জয় ও পরাজিত সব নেতাই অামার নেতা। পরাজিত নেতাদের অবশ্যই মূল্যায়ন করা হবে। যারা নৌকার বিরোধীতা করেছেন তাদের কোন স্থান পেকুয়ার আওয়ামী লীগে হবেনা।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর