হোটেলে ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রী, রক্ত দিয়ে বাঁচাল পুলিশ কর্মকর্তারা

নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে আবাসিক হোটেলে ডেকে নিয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় ধর্ষণের শিকার স্কুল ছাত্রীর অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে তাকে রক্ত দিয়ে বাঁচিয়েছেন থানার পুলিশ কর্মকর্তারা।

মূল হোথা শরিফুল ইসলামসহ দু’জনকে এ ঘটনায় আটক করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে ভর্তি করা হয়েছে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে।

রোববার (২৭ জুন) রাতে উপজেলার সোনাইমুড়ী বাজারে একটি আবাসিক হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। আটক শরিফুল ইসলাম জেলার চাটখিল উওজেলার নোয়াপাড় গ্রামের বাসিন্দা। আতক হওয়া অপর ব্যক্তি ওই হোটেলের ম্যানেজার।

জানা যায়, রোববার দুপুরের দিকে স্বামি-স্ত্রী পরিচয়ে শরিফুল ইসলাম ও ওই স্কুলছাত্রী হোটেলের একটি কক্ষ ভাড়া নেয়। পরে রাত ৯টার দিকে ভুক্তভোগীকে রক্তাক্ত ও মূমুর্ষ অবস্থায় সোনাইমুড়ির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তখন ভুক্তভোগীর গোপণাঙ্গ দিয়ে প্রচুর রক্তক্ষরণ হতে থাকায় সোনাইমুড়ী থানার ওসি ও এক উপ-পরিদর্শক তাকে দুই ব্যাগ রক্ত দেন।

এ বিষয়ে সোনাইমুড়ী থানার ওসি গিয়াস উদ্দিন জানান, সোমবার ভোরে উপজেলার নদনা এলাকায় অভিযান চালিয়ে শরিফুল ইসলামকে আটক করা হয়েছে। রাতেই আটক করা হয় হোটেলের ম্যানেজারকে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীড় বাবা বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।

বার্তা বাজার/এসজে

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর