করোনার বিস্তার ঠেকাতে পণ্যবাহী যানবাহন ও রিকশা ব্যতীত সব গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। সারাদেশে চলছে সীমিত পরিসে লকডাউন। গণপরিবহন চলাচল বন্ধ। সীমিত লকডাউনের প্রথম দিনে নানা দুর্ভোগ আর অতিরিক্ত ভাড়া গুনতে হয়েছে অফিসগামী মানুষের। তারা রিকশা, রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করেন।
সোমবার (২৮ জুন) সকাল ৮টা থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়। কেউ কেউ পিকআপে উঠেও অফিসে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
রাজধানীর মিরপুর ১৪, ১২, ১১, ১০ ও ২ নম্বর, শাহবাগ, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে, কারওয়ান বাজার, নীলক্ষেত, গুলিস্তান, যাত্রাবাড়ী, রামপুরা, শ্যামলী, মোহাম্মদপুর, আসাদগেটসহ বিভিন্ন স্থানে যাত্রীদের গণপরিবহনের অভাবে দুর্ভোগে পড়তে দেখা গেছে।
মতিঝিল যাওয়ার জন্য সকাল সাড়ে ৮টায় আগারগাঁওয়ে অপেক্ষা করছিলেন সিরাজুল ইসলাম। তিনি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তিনি কাজ করেন। তিনি বললেন, রিকশায় ভাড়া চাইছে ৪০০ টাকা। অটোরিকশাও কম। তাই হেঁটেই রওনা দেবো।
অন্য একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা আমিনুল হক। মিরপুর ২ নম্বর থেকে পায়ে হেঁটে এসেছেন মিরপুর ১০ নম্বর বাসস্ট্যান্ডে। আধা ঘণ্টা অপেক্ষা করে গুলশানে যাওয়ার কোনো যানবাহন পাচ্ছিলেন না। তিনি বলেন, সরকার অফিস বন্ধ না করে ‘লকডাউন’ ঘোষণা করেছে। এভাবে কি সাধারণ মানুষকে করোনা ভাইরাস সম্পর্কে সচেতন করা যায়? মানুষ যদি নিজে থেকে সচেতন না হয়।
রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেল চালক মো. সালমান বলেন, অফিসগামী মানুষ যে যেভাবে পারছেন অফিস যাচ্ছেন। কেউ রিকশা, সিএনজি ও রাইড শেয়ারিং মোটরসাইকেলে যাচ্ছেন।
ট্রাফিক পল্লবী জোনের ট্রাফিক ইনস্পেক্টর (টিআই) মো. কাওছার উদ্দিন বলেন, আজ থেকে দেশে চলছে সীমিত পরিসরে ‘লকডাউন’। জরুরি কাজে জড়িত ডাক্তার-গণমাধ্যমকর্মীদের পরিবহনে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী সড়ক পরিবহন নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
বার্তাবাজার/পি