ডিজিটাল বাংলাদেশ: ভূমি ব্যবস্থাপনায় সুদিন এসে গেছে

বাংলাদেশে ভূমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে যত সামাজিক কলহ-বিবাদ ও অপরাধ ঘটে থাকে তা বোধ করি অন্য কোন কারণে ঘটে না। জমির মালিকানা এবং জমির দখল সংক্রান্ত বিরোধ ও রেকর্ডভুক্ত সঠিক তথ্য প্রাপ্তির ব্যবস্থাপনাগত অস্বচ্ছতাই এর অন্যতম প্রধান কারণ। ভূমি ব্যবস্থাপনায় প্রথাগত কাগুজে দলিল ও মানুয়্যাল পদ্ধতির রেকর্ড ব্যবস্থাপনায় চিরাচরিত দুর্নীতি সহযোগে সমাজের প্রভাবশালীদের দৌরাত্ম্যে নিরীহ জনসাধারণের জমির বৈধ মালিকানা অনেক ক্ষেত্রেই অকার্যকর থেকে যায়। আবার মালিকানার সমস্যা না থাকলেও জমির অবস্থান, চৌহদ্দি ও সীমানার সঠিকতা নির্ধারণে দেখা যায় নানা জটিলতা। এ ক্ষেত্রে জমির মালিকদের মধ্যে পারস্পরিক দ্বন্দ্ব, অবিশ্বাস ও অসহযোগিতার কারণে কোন স্থায়ী সমাধান পাওয়া যায় না। জমির প্রকৃত মালিকেরা জমির দখল বুঝে পেতে প্রায়ই হেনস্থার শিকার হয়ে থাকেন। নিজের কষ্টার্জিত অর্থে ক্রয়সূত্রে জমির মালিক হয়েও একজন নাগরিককে যেমন হয়রানির শিকার হতে হয়, তেমনি ওয়ারিশসূত্রে প্রাপ্ত জমির মালিকের ক্ষেত্রেও এমনটি অহরহ ঘটতে দেখা যায়। এমনকি জমির মালিকের আত্মীয়-স্বজনেরাও অনেক সময় নিজেদের হীনস্বার্থে অহেতুক নানাধরণের জটিলতার সৃষ্টি করে থাকেন। গ্রামেগঞ্জে মারামারি-হানাহানির অন্যতম কারণও এটি। জমির মালিকানা নিয়ে দ্বন্দ্বকে কেন্দ্র করে হতাহতের ঘটনা প্রায়ই খবরের শিরোনাম হচ্ছে। পত্রিকার খবরে প্রকাশ, দেশের ৭০ শতাংশ ফৌজদারি অপরাধ সংঘটিত হয় ভূমিকেন্দ্রিক বিরোধের জেরে।

সাধারণ মানুষের মনে ভূমি অফিসের নামে এক ধরণের আতঙ্ক আছে। জমি সংক্রান্ত দাপ্তরিক কাজে সরকারি ফি অনেক কম হলেও ভূমি অফিসকেন্দ্রিক দালাল চক্রের হয়রানির কারণে অনেক ক্ষেত্রেই সেবা গ্রহীতাকে অনেক বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। জমি সংক্রান্ত এসব সমস্যা দীর্ঘদিনের এবং স্বল্পসময়ে তা নিরসন করা খুব দুরূহ ব্যাপার। তবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার ঘোষিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের রূপরেখার আলোকে এবং ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশনে তাঁর সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনায় সামগ্রিক ভূমি ব্যবস্থাপনায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে। জমি সংক্রান্ত নানাবিধ বিদ্যমান সমস্যা নিরসনে ভূমি ব্যবস্থাপনার অটোমেশনের কোন বিকল্প নাই। বর্তমান সরকার ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনের প্রয়োজনীয় সকল উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। একজন নাগরিককে কী কী কারণে ভূমি অফিসে যেতে হয় সেগুলো চিহ্নিত করে ভূমি সংক্রান্ত প্রত্যাশিত সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদানের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে জনসাধারণ ঘরে বসেই ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভূমি সংক্রান্ত তথ্য ও সেবা গ্রহণ করতে পারছেন।

ভূমি ব্যবস্থাপনার প্রচলিত পদ্ধতিতে জমি সংক্রান্ত তথ্যাদি কাগজের নথি, বই, রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে অনেক সময় এগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং তথ্য পেতে সাধারণ মানুষকে অবর্ণনীয় ভোগান্তি পোহাতে হয়। এসব ভোগান্তি ও সীমাবদ্ধতা দূর করতে সরকারের ই-গভর্নেন্স কার্যক্রমের আওতায় ভূমি সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্যাদি ডিজিটাল পদ্ধতিতে কম্পিউটার ডাটাবেজে সংরক্ষণের কাজ পুরোদমে চলমান রয়েছে। ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশনের এই কার্যক্রম তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ এবং এটুআই প্রোগ্রামের সহযোগিতায় ভূমি মন্ত্রণালয় বাস্তবায়ন করছে। ভূমি ব্যবস্থাপনার অটোমেশনে ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। ই-নামজারি, অনলাইনে খতিয়ান সরবরাহ, ই-সেটেলমেন্ট কার্যক্রমসহ অনেকগুলো সেবা ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রদান করা হচ্ছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় ই-মিউটেশন একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জরুরি সেবা। ভূমি অফিসের নামজারি ও জমা-খারিজ সেবা ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে কম সময়ে, কম খরচে ও ভোগান্তিহীনভাবে প্রদানের জন্য ই-নামজারি ব্যবস্থাপনা সিস্টেম তৈরি করা হয়েছে। ই-নামজারি সিস্টেমটি সর্বমোট ৪৬৫টি উপজেলায় ও ২০টি সার্কেল অফিসসহ প্রায় সাড়ে ৪ হাজার অফিসে বাস্তবায়ন চলছে। এ পর্যন্ত ই-নামজারির মাধ্যমে প্রায় ২৫ লাখ আবেদনের নিষ্পত্তি হয়েছে। ই-মিউটিশেন এখন জনপ্রিয় একটি সেবায় পরিণত হয়েছে। প্রতিবছর দেশে প্রায় ২২ লাখ নামজারি মামলা দায়ের হয় বলে জানা যায়। সরকার শতভাগ মিউটেশন অনলাইনেই সম্পন্ন করার

সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সকল এসি ল্যান্ড অফিস এবং ভূমি অফিসসমূহের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ই-মিউটেশন সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। এসব অফিস এখন অনলাইনেই মিউটেশন কাজ সম্পন্ন করছে। ইউনিয়ন পর্যায়ের ভূমি অফিসের একজন কর্মকর্তাও অফিসে ল্যাপটপ ব্যবহার করে ডিজিটাল সেবা প্রদান করছেন। নামজারি সংক্রান্ত সকল মামলা ডিজিটাল পদ্ধতিতে পরিচালনায় জনগণের সময়, খরচ ও যাতায়াত হ্রাসের পাশাপাশি এ খাতে দুর্নীতি ও হয়রানি অনেক কমে যাবে- এ কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়।

প্রচলিত ভূমি ব্যবস্থাপনায় রেকর্ড রুমে জমি সংক্রান্ত তথ্যাদি কাগজের নথি, বই, রেজিস্টারে সংরক্ষণ করা হয়। ফলে অনেক সময় এগুলো নষ্ট হয়ে যায় এবং তথ্য খুঁজে পেতেও অসুবিধা হয়। এতে সাধারণ মানুষ বিড়ম্বনার শিকার হয়। আরএস খতিয়ান প্রাপ্তির সেবা ডিজিটাইজেশনের কাজ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর কর্তৃক প্রকাশিত আরএস খতিয়ানসমূহ অনলাইনে প্রদর্শন ও বিতরণের লক্ষ্যে এটুআই ও ভূমি রেকর্ড ও জরিপ অধিদপ্তর আরএস খতিয়ান সিস্টেম তৈরি করেছে। প্রায় ১ কোটি অনলাইন আরএস খতিয়ান প্রকাশিত হয়েছে। জমির পরচা সংগ্রহের কাজটি প্রচলিত মানুয়্যাল পদ্ধতির ভূমি ব্যবস্থাপনায় একটি জটিল ও সময়সাপেক্ষ ব্যাপার। একজন জমির মালিককে পরচা সংগ্রহের জন্য দুর-দুরান্ত থেকে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যেতে হয়। ইতোমধ্যে ৪ কোটি ৭৬ লক্ষ পরচা অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। ই-পরচা অ্যাপের মাধ্যমে জমির মালিকেরা এখন এই সেবা নিতে পারবেন। এছাড়া কারো সার্টিফাইয়েড কপি প্রয়োজন হলে এই অ্যাপের মাধ্যমেই আবেদন করে তা পেতে পারেন। এমনকি সার্টিফাইয়েড কপি সংগ্রহ করতে তাকে অফিসেও যেতে হবে না। মাত্র বিশ টাকা চার্জ দিয়েই ডাক বিভাগের মাধ্যমে তিনি নিজের ঠিকানাতেই এই পরচার কপি হাতে পাবেন।

জমি রেজিস্ট্রেশনের কাজেও নাগরিকদের নানাধরণের বিড়ম্বনায় পড়তে হয়। এই সেবাটিও ডিজিটাইজেশনের প্রয়োজন। জানা গেছে, সম্প্রতি সরকারের উচ্চ পর্যায়ের এক সভায় দ্রুততম সময়ের মধ্যে ই-রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম চালুর সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। এই পদ্ধতিতে ডিজিটাল পদ্ধতি ব্যবহার করে জমি রেজিস্ট্রেশনের কাজ সম্পন্ন করা যাবে। ই-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় জমির তথ্যাদি যাচাইয়ের জন্য ইতোমধ্যে চালুকৃত ই-পরচা সিস্টেম কাজে লাগানো হবে।

ভূমি উন্নয়ন কর বা খাজনা দিতে এতদিন একজন মানুষকে দুর-দুরান্ত থেকে তহশিল অফিসে যেতে হতো। এই সেবাটি ডিজিটাইজেশনের কাজ প্রায় সম্পন্নের পর্যায়ে রয়েছে। অনলাইনে খাজনা পরিশোধের জন্য জমির মালিকগণের রেজিস্ট্রেশন কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়ে গেছে। একজন জমির মালিক তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করার পর মোবাইল এসএমএস-এর মাধ্যমে তিনি জেনে যাবেন তার কত খাজনা বাকি রয়েছে এবং তিনি অনলাইনেই তার খাজনা পরিশোধ করতে পারবেন। আগামী জুলাই (২০২১) মাস থেকে অনলাইনে খাজনা পরিশোধের কার্যক্রম আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে বলে জানা গেছে।

ভূমি ব্যবস্থাপনায় আরেকটি বড় সমস্যা ছিল ভূমি রাজস্ব সংক্রান্ত যেসব মামলা হয় সেগুলোর শুনানিতে সশরীরে উপস্থিত থাকা। সাধারণ মানুষের জন্য এটি একটি বড় দুর্ভোগের কারণ। অনেক সময় দুর-দুরান্ত থেকে শুনানির দিনে এসি ল্যান্ড অফিসে গিয়ে দেখা যায় বিশেষ কোন কারণে ঐ দিন শুনানি হবে না। আবার অনেক সময় তারা নিজেরাও শুনানির তারিখে উপস্থিত হতে পারেন না। এ ভোগান্তি দূর করতে গত ৯ জুন ২০২১ তারিখে অনলাইন শুনানি কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়েছে। ফলে এখন থেকে যে কোন জমির মালিক, তিনি দেশে বা বিদেশে যেখানেই থাকুন, শুনানির নির্দিষ্ট দিনের নির্দিষ্ট সময়ে অনলাইনে সংযুক্ত হয়েই শুনানিতে অংশ নিতে পারবেন। বাংলাদেশের প্রায় দেড় কোটি মানুষ প্রবাসে অবস্থান করেন। দেশে তাদের জমি-জমা নিয়ে নানা ধরণের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। অনেক সময় আপনজনেরাও প্রবাসীর অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে তাকে জমির মালিকানা থেকে বঞ্চিত করেন। ই-শুনানি চালু হওয়ায় এখন কোন প্রবাসী বাংলাদেশি জমি সংক্রান্ত মামলার শুনানিতে বিদেশে থেকেও অংশ নিতে পারবেন।

ভূমি সংক্রান্ত সরকারি সেবা প্রাপ্তির যথাযথ পরামর্শ পাওয়া সাধারণ নাগরিকের জন্য জরুরি। মানুষের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য না থাকার সুযোগেই দালাল চক্র সৃষ্টি হয়। তারা সাধারণ মানুষের অসহায়ত্বের সুযোগ নেয়। সমস্যা সমাধানে সাধারণ মানুষ কোথায় যেতে হবে, কী করতে হবে তা অনেক সময় বুঝতে পারেন না। ভূমি ব্যবস্থাপনার পুরোন সিস্টেমটি ডিজিটাইজড হয়ে গেলে মানুষ ঘরে বসেই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

এরপরও ভূমি সেবা প্রাপ্তির বিষয়ে যেকোন সাধারণ নাগরিকের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে। সে বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করে সারাদেশে ছড়িয়ে থাকা প্রায় ৫ হাজার ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তাদের ভূমি সেবা বিষয়ে প্রশিক্ষিত করা হয়েছে। সেখানে নামমাত্র ফি দিয়ে এই সেবা পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া ভূমি সংক্রান্ত সেবার জন্য কল সেন্টারের ১৬১২২ নম্বরে ফোন করে বিনা মূল্যে পরামর্শ প্রাপ্তির সুযোগ রাখা হয়েছে।

খাসজমি বন্দোবস্ত ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম আরো সহজ ও স্বচ্ছ করতে খাসজমির যাবতীয় তথ্যাদি ভূমি ডাটা ব্যাংকে ডিজিটাল পদ্ধতিতে সংক্ষণের কাজ চলছে। এর ফলে খাসজমি দখল রোধসহ সাধারণ মানুষকে জমি সংক্রান্ত সেবা প্রদান আরও সহজ হবে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে ল্যান্ড জোনিং কার্যক্রমও হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রচলিত পদ্ধতির ম্যানুয়াল জরিপে নানা ধরণের ত্রুটি থাকায় এখন থেকে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ডিজিটাল ভূমি জরিপ করা হবে। ভূমি সংক্রান্ত আরও অনেক সেবা ডিজিটাইজড করার কার্যক্রম চলছে। ভূমি সংক্রান্ত জাল-জালিয়াতি ও অপরাধের পৃথক কোন আইন না থাকায় এ সংক্রান্ত যুগোপযোগী আইন প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ভূমি ব্যবস্থাপনার অটোমেশনে নতুন আইন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সামগ্রিক ভূমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটাইজেশন বা অটোমেশনের কাজ সম্পন্ন হলে আমরা আশা করতে পারি ভূমির মালিকানা ও দখল সংক্রান্ত জটিলতা বলে তেমন কিছু থাকবে না। ডিজিটাল রেকর্ড রুমেই থাকবে মালিকানা, জমির অবস্থান ও মানচিত্র সংক্রান্ত সঠিক তথ্য। ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশনের মাধ্যমে ‘জমি যার রেকর্ড তার’ এই নীতি বাস্তবায়িত হবে। ফলে, ভুয়া দলিল তৈরি কিংবা ভূমি সংক্রান্ত অপরাধ করে নিরীহ মানুষকে আর কেউ বঞ্চিত করতে পারবে না। জমি নিয়ে সমাজে যে দ্বন্দ্ব-কলহ, মামলা-মোকদ্দমা, অপরাধ সংঘটন হয়ে থাকে তারও অবসান হবে। ডিজিটাল বাংলাদেশ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়ায় ই-গভর্নেন্স ব্যবস্থায় অন্যান্য সেক্টরের মতো ভূমি ব্যবস্থাপনার ডিজিটাইজেশন বাংলাদেশকে উন্নততর অবস্থানে নিয়ে গেছে। এভাবেই রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ বাস্তবে রূপ নিবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে নিশ্চিতভাবে সে পথেই এগিয়ে যাচ্ছে দেশ।

মুহম্মদ মোহসিন রেজা

লেখক: উপপ্রধান তথ্য কর্মকর্তা, তথ্য অধিদফতর, ঢাকা।

বার্তাবাজার/পি

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর