রেলের চলমান ৪১ প্রকল্পের মধ্যে মাত্র চারটি নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হওয়ার পথে। বাকিগুলোর হয় মেয়াদ কিংবা ব্যয় বাড়ানো হয়েছে। নির্দিষ্ট সময় শেষ হচ্ছে না প্রকল্পের কাজ। রেলমন্ত্রীর দাবি, করোনার প্রভাব পড়েছে রেলের উন্নয়নে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্যয় ও সময় বৃদ্ধির বাজে সংস্কৃতি আন্তর্জাতিক মহলে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
রেলের উন্নয়ন ও আধুনিকায়ন নিয়ে এগিয়ে যেতে চায় সরকার। সে লক্ষ্যে নেয়া হয়েছে ৪১টি প্রকল্প। যার ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১ লাখ ৪২ হাজার কোটি টাকা। যদিও বেশিরভাগ অর্থ আসবে এডিবি, চীন, জাপান ও ভারত থেকে।
চলতি বছরের জুনে শেষ হচ্ছে ২৪টি প্রকল্পের মেয়াদ। বাড়ানো হয়েছে বাকী ১৯টির মেয়াদ । আর নির্ধারিত সময়ে শেষের পথে মাত্র চারটি প্রকল্পের কাজ। এরইমধ্যে বাদ পড়েছে দুটি প্রকল্প। ৪১টি প্রকল্পের মধ্যে রয়েছে নির্মান, পুনবাসন, রেললাইন, সেতু ও সিগন্যালিং সিস্টেমের উন্নয়ন। প্রশ্ন উঠেছে কেন নির্ধারিত সময়ে শেষ হচ্ছে না নির্মাণ কাজ আর কেনইবা বাড়ছে ব্যয়।
২০১০ সালে নেয়া খুলনা মোংলা রেল লাইন প্রকল্প শেষ হওয়ার কথা তিন বছরের মধ্যে। অথচ কাজই শুরু হয়েছে অনুমোদনের ৬ বছর পর। সাথে ব্যয়ও বেড়েছে নতুন করে চাওয়া হয়েছে সময়ও। ইতোমধ্যে যমুনা নদীর উপর বঙ্গবন্ধু রেলসেতু, চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার রেললাইন নির্মানছাড়াও পদ্মা সেতু রেলসংযোগসহ ৬টি প্রকল্পের সময় বেড়েছে। পুরো প্রকল্প নিয়ে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনের জবাব, করোনার কারণে এই বিলম্ব।
এ বিষয়ে যোগাযোগ বিশেষজ্ঞ শামসুল হক বলেন, দুর্বল সম্ভাব্যতা যাচাই ও কেনো প্রকল্প শেষ হতে দেরি হচ্ছে, কে দায়ী তা তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে হবে। এরইমধ্যে রেলের দুটি প্রকল্প থেকে সরে যাচ্ছে চীন।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম