শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুট দিয়ে ঢাকামুখী ও শহর ছেড়ে যাওয়া যাত্রীর চাপ বাড়ছে। পাশাপাশি বাড়ছে ব্যক্তিগত গাড়ির (প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস) সংখ্যাও।
শনিবার (২৬ জুন) ফেরিতে পণ্যবাহী গাড়ির চেয়ে ব্যক্তিগত গাড়িই বেশি পারাপার হতে দেখা যায়। সেই সঙ্গে পারাপার হচ্ছে জরুরি সেবামূলক অ্যাম্বুলেন্সসহ অন্যান্য গাড়ি। নৌপথে লঞ্চ-স্পিডবোট বন্ধ থাকায় ফেরি বোঝাই হয়ে বাংলাবাজার থেকে শিমুলিয়া আসছে মানুষজন। বেশিরভাগ যাত্রীর মুখে কোনো মাস্ক নেই।
এদিকে ঘাটে আসার পথে সিরাজদিখান উপজেলার নিমতলা কুচিয়ামোড়ায় রয়েছে পুলিশের চেকপোস্ট। চেকপোস্টের সামনে ছোট ছোট পরিবহনের জটলা বেঁধেে আছে। পুলিশের জেরার মুখে নানা অজুহাত দিয়ে এবং গুরুত্বপূর্ণ কারণ দেখিয়ে পার হয়ে যাচ্ছে যাত্রীরা। অন্যদিকে, মুন্সিগঞ্জসহ ৭ জেলায় লকডাউনের কারণে গণপরিবহন বন্ধ থাকায় শিমুলিয়া ঘাট থেকে ভেঙে ভেঙে যাত্রীরা পার হচ্ছে। ফলে গুণতে হচ্ছে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া।
এদিকে শুক্রবার ছুটির দিনেও শিমুলিয়া ঘাটে সারাদিন যাত্রীচাপ ছিল। সকাল থেকে শুরু হওয়া যাত্রীচাপ বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়তে থাকে। এর মধ্যে রাতে ঘোষণা আসে সোমবার থেকে কঠোর বিধিনিষেধ আরোপ হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটে সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) ফয়সাল আহমেদ জানান, শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে বর্তমানে ১৫টি ফেরি চলাচল করছে। ঘাটে ছোট গাড়ির চাপ বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই পণ্যবাহী ও সেবামূলক কাজে নিয়োজিত গাড়ি পারাপার হচ্ছে।
বার্তাবাজার/পি