কোরবানির ঈদ সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার প্রায় ১৬ হাজার খামারে চলছে গরু মোটাতাজাকরণ। প্রাকৃতিক উপায়ে ঘাস, খড়, ভুষি খাইয়ে গরু মোটাতাজা করছেন খামারিরা।
তাদের আশা, অবৈধপথে ভারত থেকে গরু না আসলে এবার ভালো লাভের মুখ দেখবেন। এদিকে, করোনা সংক্রমণ এড়াতে অনলাইনে কোরবানির পশু কেনাকাটায় অ্যাপ চালু করেছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
প্রতি বছর ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে সিরাজগঞ্জের বিভিন্ন উপজেলার খামারিরা গরু মোটাতাজাকরণ করে থাকেন। এবারও ঘাস, খড়, ভুষির মতো খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছেন প্রায় ১৬ হাজার খামারি। দেশি গরুর পাশাপাশি ফ্রিজিয়ান, ব্রামহাসহ বিভিন্ন জাতের গরু মোটাকাজাকরণ করছেন তারা। ছোট থেকে শুরু করে ৩০ মণ ওজনের গরু তৈরি হচ্ছে ঈদ সামনে রেখে।
করোনার কারণে প্রান্তিক খামারিরা কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তবে, ভারত থেকে অবৈধ পথে গরু না আসলে লাভের আশা করছেন তারা।
এক গো খামারি বলেন, ‘প্রায় দেড় থেকে দুই লাখ টাকার মধ্যে পাবেন। প্রাকৃতিক সব খাবার খেয়ে মোটাতাজা হয়েছে।’
খান এ্যাগরো ফার্মের স্বত্ত্বাধিকারী নাজমুল ইসলাম খান বলেন, ১২ মণ থেকে শুরু করে ৩০ মণ পর্যন্ত আমার কাছে গরু আছে।’
এ বছর জেলায় ২ লাখ ১৫ হাজারের বেশি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে। করোনা সংক্রমণ এড়াতে অনলাইনে পশু বিক্রিতে খামারিদের উদ্বুদ্ধ করছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।
সিরাজগঞ্জের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ আখতারুজ্জামান ভুঁইয়া জানান, ‘অনলাইনে পশুর হাট অ্যাপ ডেভেলপ করেছি আমরা। আশা করছি ১ লক্ষ গরুর ছবি বয়স, ওজন ও রঙসহ পাওয়া যাবে। মাঠ পর্যায়ে আমাদের কর্মকর্তারা কাজ করছেন।’
বার্তাবাজার/পি