করোনার টিকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রবাসী কর্মীরা
করোনার টিকার জন্য দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন প্রবাসী বাংলাদেশী কর্মীরা। কোনো জায়গা থেকেই নিশ্চিত করে কোনও তথ্যও পাচ্ছেন না তারা।টিকার জন্য নির্দিষ্ট ১০ ক্যাটাগরির নাগরিকদের মধ্যে ৩ নম্বরেই রয়েছেন প্রবাসী কর্মীরা। কিন্তু বন্ধ রয়েছে নিবন্ধন সুযোগ।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, প্রবাসী কর্মীদের জন্য জনসনের টিকা আনার চেষ্টা চলছে। আর প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী জানান, টিকার চাহিদাপত্র দেয়া হয়েছে, এখন অপেক্ষার পালা।
২১শে জুন ফাইজারের টিকার পরীক্ষামূলক দেয়ার দিন বিভিন্ন হাসপাতালে ভিড় জমান ছুটিতে আসা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে প্রবাসী কর্মীরা। কিন্তু নিবন্ধন ছাড়া কোনও টিকা দেয়া হবে না বলে জানিয়ে দেয়া হয় তাদের। অথচ ফাইজার, মর্ডানা, অ্যাস্ট্রাজেনেকা এবং জনসন ছাড়া অন্য কোনও টিকা মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোতে আপাতত গ্রহযোগ্য নয়।
টিকা সংকটে নিবন্ধন প্রক্রিয়াও বন্ধ রাখা হয়েছে। এদিকে, বিভিন্ন জেলা থেকে নানা রকম তথ্য পেয়ে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সামনে প্রতিদিনই ভিড় জমাচ্ছেন প্রবাসী কর্মীরা।
তারা বলেন, আমাদেরকে বলা হচ্ছে নিবন্ধন ছাড়া টিকা দেয়া যাবে না কিন্তু নিবন্ধন প্রক্রিয়াই বন্ধ। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কি আমরা বুঝতে পারছি না। আমাদেরকে এক জায়গা থেকে শুধু আরেক জায়গায় ঘুরাচ্ছে।
প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী ইমরান আহমদ বলছেন, বিদেশগামী কর্মীদের টিকার জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রণালয়ে চাহিদাপত্র দেয়া আছে। এখন অপেক্ষা করতে হবে। এই মুহূর্তে টিকা আমদের হাতে নাই। দেখা যাক এই কূটনৈতিক অবস্থা কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়।
ভবিষ্যতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো টিকা ছাড়া কোনো কর্মীকে প্রবেশ করতে দেবে না বলেও আশংকাও করছেন এই অভিবাসন বিশেষজ্ঞ।
বার্তাবাজার/পি