ফেইসবুকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী-পরিকল্পনামন্ত্রী পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস
ছাতক-সুনামগঞ্জ রেললাইন নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর সাথে সুনামগঞ্জের বাকি সংসদ সদস্যদের মতপার্থক্যকে ঘিরে টানাপড়েন শুরু হয়েছে পরিকল্পনামন্ত্রী ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মধ্যে।
ছাতক থেকে রেললাইন সুনামগঞ্জ পর্যন্তই যাবে নাকি নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পর্যন্ত টেনে নেওয়া হবে? এ নিয়ে পরিকল্পনামন্ত্রীর সাথে সুনামগঞ্জের বাকি সংসদ সদস্যদের মতপার্থক্যকে ঘিরে টানাপড়েন শুরু হয়েছে দুই মন্ত্রীর মধ্যে। সংসদ সদস্যদের পক্ষে ডিও লেটার ইস্যু করে সিলেটে উত্তাপ ছড়িয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও পাল্টাপাল্টি পোস্ট দিয়েছেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।
সুনামগঞ্জের ছাতক পর্যন্ত ১৯৫৩ সাল থেকেই রেললাইন আছে। সেটি টেনে সুনামগঞ্জ সদর পর্যন্ত নেয়ার তৎপরতা শুরু হয় ২০১১ সালে। ২০১৯ সালে ১০ কোটি টাকার সমীক্ষাও শুরু করেছে রেল মন্ত্রণালয়। রেল যোগাযোগে তুলনামূলক একটি ছোট এই প্রকল্পটি সিলেটের রাজনীতিতে উত্তাপ ছড়াচ্ছে। রেললাইনটি কোন দিক দিয়ে যাবে তা নিয়ে তৈরি হয়েছে মতবিরোধ।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য ও পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সাথে এই রেলপথ নিয়ে মতবিরোধ তৈরি হয়েছে জেলার বাকি পাঁচ সংসদ সদস্যের। জয়া সেনগুপ্ত, মহিবুর রহমান, পীর ফজলুর রহমান, মোয়াজ্জেম হোসেন ও সংরক্ষিত আসনের এমপি শামীমা আক্তার চান রেললাইনটি নেত্রকোণার মোহনগঞ্জ পর্যন্ত নিয়ে যেতে। তাদের মধ্যে পীর ফজলুর রহমান বাদে সবাই আওয়ামী লীগের।
বিষয়টি নিয়ে সিলেটের সংসদ সদস্য ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেনের কাছে গেলে তাদের পক্ষে ডিও লেটার ইস্যু করেন তিনি। আর তা দেখে মনক্ষুণ্ন হন মন্ত্রিসভার সহকর্মী ও বন্ধু পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান।
এ নিয়ে দু’জনই ফেসবুকে পাল্টাপাল্টি স্ট্যাটাস দেন। তবে মঙ্গলবার দুইজনই বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে কথা বলেন। পরিকল্পনা মন্ত্রী বলেন, উন্নয়ন নিয়ে মতপার্থক্য হতে পারে তবে তা ঠিক হয়ে যাবে। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, এটা নেহায়েতই ভুল বোঝাবুঝি।
পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নানের সাথে সুনামগঞ্জের সংসদ সদস্যদের মতপার্থক্য শুরু হয় গেল সেপ্টেম্বরে। সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের জায়গা ঠিক করা নিয়ে।
বার্তাবাজার/ই.এইচ.এম