জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে তিন প্রার্থীর নির্বাচন প্রত্যাখান
প্রকাশ্যে জাল ভোট দেওয়ার সময় হাতেনাতে আটক করার পরেও প্রশাসনের রহস্যজনক ভূমিকার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করে নতুন করে ওয়ার্ডে নির্বাচনের দাবি করেছেন দুই ইউনিয়নের তিনজন ইউপি সদস্য প্রার্থী। ঘটনাটি বরিশালের গৌরনদী উপজেলার ও বার্থী ইউনিয়নের ৭নং ও সরিকল ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের।
সোমবার (২১ জুন) দুপুরে বার্থী ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের মোরগ মার্কার শহিদুল ইসলাম ও ঘুড়ি মার্কার ইউপি সদস্য প্রার্থী খালেক সরদার তাদের প্রতিদ্বন্ধী ফুটবল মার্কার প্রার্থী শিমুল সরদারের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক জাল ভোট প্রদানের অভিযোগ এনে নতুন করে ভোটের দাবি জানিয়ে ভোট বর্জন করেন।
ইউপি সদস্য প্রার্থী শহিদুল ইসলাম ও খালেক সরদার অভিযোগ করেন, ফুটবল মার্কার প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী শিমুল সরদারের নেতৃত্বে বহিরাগত লোকজনে দুপুরের দিকে কেন্দ্রে প্রবেশ করে জাল ভোট প্রদান করে।
এক পর্যায়ে বুথের মধ্যে থাকা এজেন্টরা রিয়াজ হাওলাদার ও মিন্টু হাওলাদার নামের দু’জন জাল ভোট প্রদানকারীকে শনাক্ত করলে রিয়াজ দৌড়ে পালিয়ে যায়। এবং মিন্টু হাওলাদারকে আটক করে তারা (এজেন্টরা) কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের হাতে তুলে দেন।
তারা আরও অভিযোগ করেন, জাল ভোট প্রদানকারীদের আটক করায় ক্ষিপ্ত হয়ে প্রতিদ্বন্ধী প্রার্থী শিমুল সরদারের সমর্থকরা ধানডোবা মাধ্যমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্রে আসা তাদের ভোটার ও সমর্থকদের বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করেন।
এসময়ও কেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রহস্যজনক ভূমিকা পালন করায় তারা (শহিদুল ইসলাম ও খালেক সরদার) নতুন করে ভোটের দাবি করে ভোট বর্জন করে ভোট কেন্দ্র এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল করেছেন।
কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসার জাল ভোট দেয়ার অভিযোগে একজনকে আটক করার বিষয়টির সত্যতা স্বীকার করে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকতাদের বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে তারা এসে বিষয়টি খতিয়ে দেখবেন।
অপরদিকে সরিকল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তালা মার্কার প্রার্থী রাজু খানের সমর্থকদের বিরুদ্ধে ব্যাপক জাল ভোট প্রদানের অভিযোগ এনে নতুন করে ভোটের দাবি জানিয়ে ভোট বর্জন করেছেন ওই ওয়ার্ডের মোরগ মার্কার ইউপি সদস্য প্রার্থী রিয়াজুল ইসলাম টিপু মৃধা।
আরিফিন রিয়াদ/বার্তাবাজার/এফএইচপি