অপচিকিৎসার অভিযোগে ডাঃ হাফিজুল্লাহ এর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু

শেখ আমিনুর হোসেন, সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদর উপজেলার দেবনগর গ্রামের লিপিয়া পারভিনকে অপচিকিৎসার অভিযোগে সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স চিকিৎসক ডাঃ হাফিজুল্লাহ এর বিরুদ্ধে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন অফিসের সস্মেলন কক্ষে এ তদন্ত করা হয়।

দেবনগর গ্রামের মোঃ মোস্তাকিমের স্ত্রী মিসেস লিপিয়া পারভিনের অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০১০ সালে তার হাত ভেঙ্গে গেলে অর্থোপেডিক্স সার্জেন্ট ডা. ইব্রাহিম খলিল চিকিৎসা করেন। এ সময় জোড়া লাগানোর জন্য ডাক্তার ব্যবহার করছিলেন নাট স্ক্রু। বেশ কিছুদিন পরে নতুন করে সমস্যা দেখা দিলে গত বছরের সাত নভেম্বর তিনি সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের অর্থোপেডিক্স ডাক্তার ও নারকেলতলার ডাঃ হাফিজুল্লাহ এর ট্রমা সেন্টারে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে ভর্তি হন। এ সময় ডাক্তার অপারেশন করে হাতের পুরনো নাট স্ক্রু খুলে ফেলার সময় কিছু অংশ ভেঙ্গে যায়। ফলে হাতে যন্ত্রণা হতে থাকে। বিষয়টি ডাক্তারকে জানালে তিনি বলেন নতুন করে টাকা লাগবে না। তিনি বিনা খরচে চিকিৎসা দেবেন। অথচ তিনি তা দেননি। এর ফলে তিনি ওই হাত দিয়ে আর কাজ করতে পারছেন না। এখন ডাঃ হাফিজুল্লাহও তাকে চিনতে পারেন না। বাধ্য হয়ে তিনি স্বাস্থ্য বিভাগের মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করেন। গত ১৭ জুন তিনি সাতক্ষীরা প্রেসক্লাবে সংবাদ সস্মেলন করেন।

লিপিয়া পারভিন আরো বলেন, সিভিল সার্জন অফিসের নোটিশ পেয়ে মঙ্গলবার সকাল ১০টায় তিনি তার চাচা শ্বোশুর আব্দুল আলীম ও হুমায়ুন কবীরকে সঙ্গে নিয়ে সম্মেলন কক্ষে আসেন। সিভিল সার্জন ডাঃ রফিকুল ইসলাম স্টেশনে না থাকায় ডাঃ আবুল হোসেন তাদের লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন অফিস সহকারি ফারক হোসেন।

সাতক্ষীরা সদর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ আবুল হোসেন বলেন, সিভিল সার্জন না থাকায় তিনি লিপিয়া পারভিনসহ তিনজনের লিখিত জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। ডাঃ হাফিজুল্লাহও জবানবন্দি লিখিত আকারে দেবেন। পরবর্তীতে সিভিল সার্জন মহোদয় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন।

বার্তা বাজার .কম'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
এই বিভাগের আরো খবর